• আজ সোমবার, ৩ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

ডিমলায় যৌতুকের কারনে গৃহবধু হত্যা


❏ বুধবার, আগস্ট ১০, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

মাজহারুল ইসলাম লিটন, ডিমলা (নীলফামারী): নীলফামারীর ডিমলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুক্তি পারভীন (২২) নামের এক গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ রাস্তায় ফেলে পালিয়েছে স্বামী । মেয়েটির পরিবার হত্যার অভিযোগ দিলেও পুলিশ রহস্যজনক কারনে হত্যা মামলা নেয়নি।Jowtuk-0120130919134055

রাতে পুলিশ লাশ উদ্বার করে বুধবার সকালে লাশের ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে প্রেরন করেছে। জানাগেছে, উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের মৃত আব্দুল লতিফের কন্যা মুক্তি পারভিনের সাথে ঝুনাগাছ চাপানি গ্রামের মৃত সহিদার রহমানের পুত্র রফিকুল ইসলামের ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। মুক্তির আবু সায়েম (৫) নামে একটি পুত্র সস্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে শ্বশুড়বাড়ীর লোকজন যৌতুকের জন্য মুক্তি পারভীনের প্রতি নির্যাতন করে আসছিল।

মেয়েটির পরিবার রাতে হত্যার অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা গ্রহন না করে। থানার জিডিমুলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করায়। পুলিশ রহস্যজনক ভুমিকা পালন করছে বলে এলাকাবাসী জানান। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ প্রতিনিয়ত মুক্তিকে স্বামীসহ তার শশুড় পরিবারের লোকজন যৌতুকের কারনে নির্যাতন করত। মঙ্গলবার শারিরীক নির্যাতনের কারনেই মুক্তির মৃত্যু হয়েছে। আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ হত্যা মামলা না নিয়ে জিডিমুলে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে। ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানায়, মুক্তি অসুস্থ থাকায় মঙ্গলবার সকালে জলঢাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের অবস্থার অবনতি হলে বিকালে রংপুর হাসপাতালে স্থানতরিত করা হলে রংপুর নেয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। তার লাশে আঘাতের চিহ্ন না থাকায় লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, পারিবারিক ভাবে সংসারটির মধ্যে প্রতিনিয়ত ঝগড়া লেগে থাকত। মঙ্গলবার বিকালে মু্িক্তকে জলঢাকা হাসপাতালে থেকে রংপুর নেয়ার পথে সে মারা যায় মর্মে পরিবারের লোকজন জানায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী রফিকুল ইসলাম পালাতক রয়েছে।