🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৩০ নভেম্বর, ২০২১ ৷

সুন্দরবনে কুমির প্রজনন কেন্দ্রের জুলিয়েট ও পিলপিল আবারো মা হয়েছে


❏ রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০১৬ খুলনা, দেশের খবর

জামাল হোসেন বাপ্পা, বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবন করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রে ৪৭ কুমিরের বাচ্চা ফুটেছে। প্রজনন কেন্দ্রে মা কুমির জুলিয়েট ও পিলপিলের ডিম থেকে আজ রবিবার সকালে এ বাচ্চাগুলো ফোটে। তবে ৫১টি ডিম নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রজনন কেন্দ্রের ইনচার্জ জাকির হোসেন।

pilpil

তিনি জানান, গত ১২ মে জুলিয়েটের ৫০টি ও পিলপিল ৪৮ ডিম দেয়। এরপর থেকে তার তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে সঠিক তাপ ও আর্দ্রতা, পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও আলোর ব্যবস্থা এবং পানি প্রবেশ করতে পারে না এমন পরিবেশে রাখা হয়। অবশেষে রোববার সকাল থেকে বাচ্চা ফুটতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে ৪৭টি বাচ্চা ফুটে বের হয়। ভ্রূণের মৃত্যু ও অনিষিক্ত হওয়ায় এবার ৫১টি ডিম নষ্ট হয়ে গেছে।

বন বিভাগ জানায়, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির নোনা পানির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও তা সংরক্ষণে ২০০২ সালে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্রে বন বিভাগের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় দেশের একমাত্র সরকারি এ কুমির প্রজননকেন্দ্র। বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন প্রকল্পের আওতায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ একর জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয় কেন্দ্রটি। শুরুতেই জেলেদের জালে ধরা পড়া ছোট-বড় পাঁচটি কুমির দিয়ে কেন্দ্রে প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে কেন্দ্রে নোনা পানির দুটি নারী কুমির জুলিয়েট ও পিলপিল এবং একটি পুরুষ কুমির রোমিও রয়েছে। ২০০৫ সাল থেকে গত ১১ বছরে জুলিয়েট ও পিলপিল থেকে কেন্দ্রে ৭২৩টি ডিম থেকে ৪৩৯টি বাচ্চা ফোটে।

সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ সাইদুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার সময় হয়েছে। তবে কতটি ডিম ফুটেছে তা তিনি জানাতে পারেননি।