🕓 সংবাদ শিরোনাম

কুড়িগ্রামের সেই ডিসির ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফবুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায় রোববারইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৫ জনটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুলিবর্ষণ: নিহত ১, আহত ২সোনারগাঁয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিজয়ী করতে দিনরাত গণসংযোগআকাশে উড়ন্ত চাকি কি ভিনগ্রহীদের ? নাকি শত্রু যান তদন্তে পেন্টাগনকদবেল খাওয়ার প্রলােভন দেখিয়ে বাথরুমে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তারআত্মস্বীকৃত ইয়াবা সম্রাট এনামের কোটি টাকার চালান যায় নরসিংদীতেস্কাউটের সর্ব্বেচ্চ পদক শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন মির্জাপুরের ১৬ শিক্ষার্থীমতলবের নির্বাচনে অতিরিক্ত ১০ প্লাটুন র‍্যাব ও বিজিবি, থাকবে কোস্টগার্ডও

  • আজ শনিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২১ ৷

গাজীপুরে সরকারবিরোধী লিফলেট ও জেহাদি বইসহ চার শিবিরকর্মী আটক


❏ রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০১৬ ঢাকা
রেজাউল সরকার(আঁধার), গাজীপুর প্রতিনিধি : মহানগরের বসুগাঁও এলাকা থেকে চারটি তাজা ককটেল, দুটি ধারালো ছোরা, সরকারবিরোধী বিপুল পরিমাণ লিফলেট ও জেহাদি বইসহ চার শিবিরকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে বসুগাঁও এলাকার গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। তারা ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কুড়িগ্রামের রাজিবপুর থানার নয়াচর গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম (২৩), নাটোরের লালপুর থানার ধুপইল গ্রামের মৃত অজি উল্লাহর ছেলে আলী (২১), ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার রায়ের গ্রাম এলাকার রুহুল আমীনের ছেলে মো. জাহিদ হোসেন (২৪) ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানার জোয়ানের চর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম।
adher-1রোববার রাত সাড়ে ৮টায় গাজীপুর পুলিশ লাইনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, গ্রেফতারকৃতরা শিবিরের সক্রিয় কর্মী। তারা বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে নাশকতা সৃষ্টির জন্য ওই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে আমরা খবর পাই।
পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি তাজা ককটেল, বিপুল পরিমাণ সরকারবিরোধী লিফলেট ও জিহাদিবই উদ্ধার করা হয়।
তাদের আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের গ্রাহক সেবা চরম ভোগান্তিতে : অভিযোগ করেও সুফল পাচ্ছে না গ্রাহকরা

জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের গ্রাহক সেবা চরম ভোগান্তি উঠেছে।

প্রতিদিন টাকা জমা-উত্তোলনে একজন গ্রাহকের প্রায় পুরো দিন ব্যাংকের ভেতরেই চলে যায় বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
আরো অভিযোগ রয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে গ্রাহক সেবার ভোগান্তির বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছে না গ্রাহকরা।
ভোগান্তির শিকার এক গ্রাহক মাওনা চৌরাস্তার ব্যবসায়ী ফয়সাল আহমেদ অভিযোগ করে জানান, গত ১বছর যাবত ব্যাংকের এয়ার কোলার (এসি) নষ্ট হয়ে আছে। ছোট্ট খোপরী ঘরের ভিতর বাতাস না ঢুকায় প্রচণ্ড গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। গত ১ মাস যাবত কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে টাকা জামা দিতে একজন গ্রাহকের পুরো দিন ব্যয় হয় বিধায় তার নিজের হিসাব নং ২১৩.১১০.৯৪২ বন্ধের আবেদন করেছেন তিনি।
adher-2অন্য অরেক গ্রাহক ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া জানান, প্রতিদিন প্রায় ৭০০ গ্রাহকের জন্য ক্যাশ কাউন্টার ২টি। ফলে গ্রাহদের ভীড় ব্যাংক ছাড়িয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে পরে। টোকেন সিস্টেম সম্পর্কেও তার অভিযোগ রয়েছে। দৈনিক ৪টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেনের সময় বেধে দেয়ার থাকলেও সন্ধ্যার পরেও গ্রাহকদের ব্যাংকের ভেতর অবস্থান করতে হয়। ব্যাংকের ভেতর ঢুকলে ব্যাংক না বাজার তা বুঝা যায় না।
সরেজমিন দেখা যায়, রোববার বেলা ৩টায় ব্যাংকের ভেতর প্রায় ১৫০ জন গ্রাহক অবস্থান করছেন, বাইরে রয়েছেন শতাধিক গ্রাহক। ওই সময় পর্যন্ত ব্যাংকের সাক্ষাতকারের ডিসপ্লেতে ১৪০ তম গ্রাহকের নম্বরটি প্রদর্শিত হচ্ছে। অথচ অসংখ্য গ্রাহকের হাতে ৪০০-৪৮৬ নম্বর সম্বলিত টোকেন রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১২সালের ২৭ মার্চ মাওনা চৌরাস্তা শাখা উদ্বোধনের পর ব্যাপক মার্কেটিং এর ফলে এই ব্যাংকটির গ্রাহক সংখ্যা ব্যপকভাবে বাড়তে থাকে। বর্তমানে সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ লাখ। গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে বাড়েনি ক্যাশ কাউন্টার, ভবনের স্পেস ও জনবল।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাওনা চৌরাস্তা শাখার ব্যবস্থাপক আনোয়ার সাদত জানান, আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ পাচ্ছি। যথা সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করছি।
আরও পড়ুন :