🕓 সংবাদ শিরোনাম

নিজেকে বিয়ে করা সেই মডেল এখন নিজেকে ডিভোর্স দিচ্ছেন!কুড়িগ্রামের সেই ডিসির ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফবুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায় রোববারইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৫ জনটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুলিবর্ষণ: নিহত ১, আহত ২সোনারগাঁয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিজয়ী করতে দিনরাত গণসংযোগআকাশে উড়ন্ত চাকি কি ভিনগ্রহীদের ? নাকি শত্রু যান তদন্তে পেন্টাগনকদবেল খাওয়ার প্রলােভন দেখিয়ে বাথরুমে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তারআত্মস্বীকৃত ইয়াবা সম্রাট এনামের কোটি টাকার চালান যায় নরসিংদীতেস্কাউটের সর্ব্বেচ্চ পদক শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন মির্জাপুরের ১৬ শিক্ষার্থী

  • আজ শনিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২১ ৷

ঝিনাইদহে চিত্রা নদী থেকে মৎস ব্যবসায়ীর জালে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির মাছ


❏ সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬ খুলনা, দেশের খবর

আরাফাতুজ্জামান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের চাপালী গ্রামের মৎস ও পোল্ট্রি ব্যবসায়ী আকুল হোসেনের জালে গতকাল রাতে বিরল প্রজাতির একটি মাছ ধরা পড়েছে। আকুল হোসেন তার বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চিত্রা নদীতে জাল ফেলে মাছটি ধরেন। বিরল এ প্রজাতির মাছটি দেখতে এলাকার শত শত উৎসুক মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানোয়ার হোসেন মোল্লা মাছটি দেখতে রাতেই ওই মৎস ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান।

mas

মাছটির মাথার অংশ দেখতে অনেকটা টেপা মাছের মতো। তবে এটি শৈল মাছের মতো লম্বা। মাছের সমস্ত শরীরে ডোরাকাটা দাগ ও সাদা-কালো ফোটায় পরিপূর্ণ। আকুল হোসেন বলেন, ‘রবিবার রাত আটটার দিকে বাড়ির পাশের নদীতে জাল ফেললে এই অপরিচিত মাছটি ধরা পড়ে। আমি এ ধরনের মাছ আগে কখনো দেখিনি। এলাকার অনেক লোক মাছটি দেখতে আসছে। সবাই বলছে, তারা আগে কখনো এ ধরনের মাছ দেখেনি। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানোয়ার হোসেন মোল্লা এটিকে ‘সাকার ফিশ’ বলে শনাক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত বছর একজন জেলে দুটি সাকার ফিশ পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলকার নায়নের কাছে নিয়ে যান। তখন মাছ দুটি সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে ছেড়ে দেওয়া হয়। অনুমান করা যেতে পারে, এ প্রজাতির মাছ ঝিনাইদহ অঞ্চলের নদীতে বা অন্য জলাশয়ে আরো আছে।’ তিনি বলেন, ‘মাছটি আকুল হোসেন যত্নে রেখেছেন। পরে এটিকে নদীতে ছেড়ে দেওয়া হবে যাতে সে তার সঙ্গীদের সাথে একত্রে থাকতে পারে।’

তবে তথ্যভান্ডার উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, এই মাছটির নাম হলো ‘সুইপার ফিস’। এদের বসবাস পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগর এবং ইন্দো প্যাসিফিক মহাসাগরে। এছাড়া এ প্রজাতির মাছের বসবাস দেখা যায় জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার আশপাশের এলাকায়।