🕓 সংবাদ শিরোনাম

কুড়িগ্রামের সেই ডিসির ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফবুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায় রোববারইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৫ জনটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুলিবর্ষণ: নিহত ১, আহত ২সোনারগাঁয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিজয়ী করতে দিনরাত গণসংযোগআকাশে উড়ন্ত চাকি কি ভিনগ্রহীদের ? নাকি শত্রু যান তদন্তে পেন্টাগনকদবেল খাওয়ার প্রলােভন দেখিয়ে বাথরুমে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তারআত্মস্বীকৃত ইয়াবা সম্রাট এনামের কোটি টাকার চালান যায় নরসিংদীতেস্কাউটের সর্ব্বেচ্চ পদক শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন মির্জাপুরের ১৬ শিক্ষার্থীমতলবের নির্বাচনে অতিরিক্ত ১০ প্লাটুন র‍্যাব ও বিজিবি, থাকবে কোস্টগার্ডও

  • আজ শনিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২১ ৷

টিনসেডের বাড়ি ধ্বসে কালিয়াকৈরে অল্পের জন্য রক্ষা পেল তিনটি পরিবার


❏ সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

আলমগীর হোসেন, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি: কালিয়াকৈরে টিনসেডের একটি বাড়ি ধ্বসে পড়েছে। বাড়িটি ধ্বসে পড়লেও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে ওই বাড়িতে বসবাসরত সংখ্যালঘু তিনটি পরিবারের সদস্যরা। আজ সোমবার সকালে কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইতলী এলাকার একটি টিনসেডের বাড়ি ধ্বসে যায়। বাড়িটি ধ্বসে পড়লেও ওই বাড়িতে বসবাসরত তিনটি পরিবারের কোন সদস্য হতাহত হয়নি।

bari

আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, পাঁচ বছর আগে পুকুরের পাশে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করে টিনসেডের ওই বাড়িটে নির্মাণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রফেসর বিধান চন্দ্র সরকার। ওই এলাকার মুরুব্বিরা নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে বাড়ি নির্মাণে বাঁধা প্রদান করলেও কোন লাভ হয়নি। বাড়িটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে তা ভাড়া দিয়ে দেন। এরই মধ্যে ওই বাড়িতে তিনটি সংখ্যালঘু পরিবার ভাড়ায় উঠেন।

কাকলী ঘোষ নামের এক ভাড়াটিয়া জানান, বেশ কিছুদিন আগে ওই বাড়ির ঘরের ভেতর উত্তর পাশের অংশে ফাটল দেখা দেয়। বিষয়টি বাড়িওয়ালা বিধান চন্দ্র সরকারকে অবহিত করলেও সে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এরপর গতকালও বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু সে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এরপরও আতঙ্কের মধ্যে ওই বাড়িতেই বসবাস করতে থাকি। আজ সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ফাটল আরো বড় আকারে হয়েছে। পরে আমি সহ অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা ঘরের জিনিসপত্র সড়িয়ে ফেলেন। সকাল ৯টার দিকে বাড়িটির উত্তর পাশের অংশ পুকুরের পানিতে ডেবে যায়। ঘটনাটি ভোরে ঘটলে হয়তো আমরা সকলেই মারা যেতাম।

হারাধন সরকার নামের অপর এক ভাড়াটিয়া জানান, টিনসেড বিল্ডিং এর ওই বাড়িটি ফাটল ধরার পর কয়েকবার বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানানো হয়েছে। কিন্তু সে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। শুনেছি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাড়িটি তিনি করেছেন। তাই তিনি এর কোন ব্যবস্থা নেননি।

এ ব্যাপারে বাড়ির মালিক বিধান চন্দ্র সরকার সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, বিষয়টি আমাকে ভাড়াটিয়ারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়ার বাড়িটি আগেই ধ্বসে যায়।