🕓 সংবাদ শিরোনাম

বুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায় রোববারইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৫ জনটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুলিবর্ষণ: নিহত ১, আহত ২সোনারগাঁয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিজয়ী করতে দিনরাত গণসংযোগআকাশে উড়ন্ত চাকি কি ভিনগ্রহীদের ? নাকি শত্রু যান তদন্তে পেন্টাগনকদবেল খাওয়ার প্রলােভন দেখিয়ে বাথরুমে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তারআত্মস্বীকৃত ইয়াবা সম্রাট এনামের কোটি টাকার চালান যায় নরসিংদীতেস্কাউটের সর্ব্বেচ্চ পদক শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন মির্জাপুরের ১৬ শিক্ষার্থীমতলবের নির্বাচনে অতিরিক্ত ১০ প্লাটুন র‍্যাব ও বিজিবি, থাকবে কোস্টগার্ডওকক্সবাজারে কিশোর গ্যাং লিডার তারেকসহ ৮ সদস্য আটক

  • আজ শনিবার, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৭ নভেম্বর, ২০২১ ৷

ঝুঁকির মুখে বঙ্গ বাহাদুরের জীবন?


❏ সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬ আলোচিত বাংলাদেশ

জামালপুর প্রতিনিধি- পাহাড়ি ঢলে ভারত থেকে ভেসে আসা বন্যহাতি ‘বঙ্গ বাহাদুরকে’ জলাশয়ের কাদা থেকে দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ার আশংকা রয়েছে।elephant-jug_22225_1471246052বাংলাদেশ বন বিভাগের সাবেক বন সংরক্ষক কর্মকর্তা ড. তপন কুমার দে বলেন, সোমবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১২টার পর্যন্ত হাতিটিকে জলাশয়ে কাদা থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কাদায় বেশিক্ষণ থাকায় হাতিটির শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। এতে সে ছটফট করছে এবং ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিন্তু শিকল ছেঁড়ার ভয়ে তাকে পর্যাপ্ত খাবার দেয়া যাচ্ছে না। হাতিটির জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এটাকে দ্রুত সরিয়ে নেয়ার দরকার বলে জানান তিনি।

ঢাকার বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, পায়ে শিকল নিয়ে হাতিটি কাদার মধ্যে পড়ে গেছে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করা প্রয়োজন। হাতি উদ্ধারে গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক থেকে তিনটি হাতি রোববার রাতেই আসার কথা, কিন্তু সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই হাতিগুলো আসেনি।

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কয়ড়া গ্রামে জলাশয়ে থাকা হাতিটি রোববার ভোর ৫টার দিকে পেছনের পায়ের শেকল ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে বন বিভাগের উদ্ধারকারী সদস্যরা সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে দেখে হাতিটি জলাশয়ে নেই।

পরে তারা খোঁজাখুঁজির পর দুই কিলোমিটার দূরে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সোনাকান্দ গ্রামের একটি খোলা জায়গায় হাতিটিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এখানে তাকে অচেতন করার জন্য ট্র্যাংকুলাইজারের মাধ্যমে ৪টি ডার্ট ছোড়া হয়।

এরপর হাতিটি পড়ে না গিয়ে কাঁদা পানিতে দাঁড়ানো অবস্থায় ঝিমোতে ছিল। এ সময় হাতির পেছনের ও সামনের পায়ে শেকল ও রশি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। শেষ পর্যন্ত ওই কাঁদা পানিতেই অবস্থান করছিল হাতিটি।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাতিটিকে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। পরে হাতিটিকে ধরে শিকল ও রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার রাতে সামনের দু’পায়ের শিকল ও রশি ছিঁড়ে ফেলে হাতিটি। এ সময় আশপাশের গাছপালা ভাংচুর করে। রাতভর হাতিটির গর্জন ও তাণ্ডবে আতংকিত হয়ে পড়ে স্থানীয়রা।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে বন বিভাগের সদস্যরা হাতিটির সামনের দুই পা বেঁধে ফেলার চেষ্টা করলে সেটি পাশের গভীর জলাশয়ে অবস্থান নেয়।