সেলফি তুলতে গিয়ে মেয়ের সাথে প্রাণ গেল বাবা-মায়ের !

৮:৪৩ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, আগস্ট ১৬, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

 আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সেলফি শব্দটি প্রথম এসেছে ইংরেজি সেলফিশ থেকে। ‍সেলফি অর্থ প্রতিকৃতি। ফেসবুক এর আগের সময়টায় মাইস্পেস বেশ জনপ্রিয় ছিল। এবং সে কারনেই সেলফি সর্ব প্রথম জনপ্রিয়তা পায় সেখানেই। তারপর ফেসবুক জনপ্রিয় হওয়ার পর অনেক দিন পর্যন্ত সেলফি নিম্ন রুচির পরিচায়ক ছিল। কারন তখন বেশিরভাগ সেলফি গুলো বাথরুমের আয়নার সামনে তোলা হত। তবে শুরু থেকেই ইমেজ শেয়ারিং সাইট ফ্লিকার এ জনপ্রিয় ছিলো সেলফি। স্মার্টফোনের কল্যানে বর্তমানে বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে সেলফি তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠে। আর এই সেলফি রোগে আক্রান্ত কিশোর যুবা থেকে আরাম্ভ করে সব স্তরের মানুষ । আর জনপ্রিয়তার সাথেই সেলফি রুগীর মৃত্যুর খবর ও আসছে সমান তালে ।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুনহার নদীর বিসিয়ান গ্রামের অংশে মঙ্গলবার মেয়ে ও মা-বাবা ডুবে মারা যান। ১১ বছর বয়সি মেয়ে সেলফি তোলার প্রস্তুতি নেয়ার সময় পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

se

ফাইল ছবি

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাফিয়া নদীতে পড়ে গেলে তাকে বাঁচাতে তার মা সাজিয়া আতিফ ঝাপ দেন। কিন্তু স্রোত তাকে টেনে নেয়। মেয়ে ও স্ত্রীকে ডুবে যেতে দেখে তাদের উদ্ধারে ঝাপ দেন আতিফ হুসাইন। কিন্তু তার ভাগ্যেও একই পরিণতি হয়।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা আরশাদ খান জানিয়েছেন, সাফিয়া আতিফ নামের মেয়েটি নদীর কিনারে সেলফি তোলার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যায়। মেয়ে ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু আতিফ হুসাইন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

আতিফ হুসাইন ও তার স্ত্রী সাজিয়া আতিফ দুজনেই পাঞ্জাবের চিকিৎসক। ছেলেমেয়েদের নিয়ে ছুটি কাটাতে এসেছিলেন। অন্য দুই সন্তান- নয় বছর বয়সি এক মেয়ে এবং ছয় বছর বয়সি এক ছেলে তাদের সঙ্গে ছিল।