🕓 সংবাদ শিরোনাম

দু’সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের কোভিড টিকাকরণ, সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নেবাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৪৭ ভরি স্বর্ণসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ আটকফিরে দেখা; ইতিহাসে আজকে এই দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহশীতে অপরূপ লাল শাপলার ডিবির হাওরময়মনসিংহ শহরের ভেতরেই রেলক্রসিং: প্রতিদিন ৮ ঘন্টা যানজটবিজয়ের ৫০ বছরে ওয়ালটন ল্যাপটপ ও এক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়মাইকিং করে ২গরু জবাই করল পরাজিত প্রার্থী, দাওয়াতে এলো না কেউ!সুনামগঞ্জে আফ্রিকা ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকাতদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য-জেরায় সাক্ষ্যপর্ব সমাপ্তবিকৃতমনা মাদ্রাসা শিক্ষকের লালসার শিকার অসহায় এক কিশোরের জবানবন্দী!

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ও মাস্টার্সের ৪ ঘন্টার পরীক্ষা সাড়ে ৩ ঘন্টা করার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল


❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ১৬, ২০১৬ রংপুর

গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডলঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ও মাস্টার্সের ৪ ঘন্টার পরীক্ষা সাড়ে ৩ ঘন্টা করার প্রতিবাদ এবং পূর্বের নিয়ম বহাল রাখার দাবিতে মঙ্গলবার জেলা শহরের ১নং ট্রাফিক মোড়ে মানববন্ধনের কর্মসূচী পালিত হয়। গাইবান্ধা সরকারি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধনের কর্মসূচীর আয়োজন করে। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল কলেজ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

human-chainমানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন জাসদ ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সভাপতি ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রাকিব হাসান সীমান্ত, এএসএম সায়েম সুমন, এটিএম আতিকুর রহমান, ছালেক আহমেদ, এসএম রফিক, মো. পপুলার রহমান, জাকিরুল ইসলাম, অনিমেষ চন্দ্র, ওমর ফারুক, বিশ্বজিৎ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন কলেজগুলোতে এমনিতেই শিক্ষক, ক্লাশ রুমসহ নানাবিধ সংকট বিরাজ করছে। তারমধ্যে সিলেবাস ও পরীক্ষার মার্ক না কমিয়ে ৪ ঘন্টার পরীক্ষা সাড়ে ৩ ঘন্টা করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। অনেকের পক্ষে প্রশ্নের উত্তর ওই সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে না। ফলে পরীক্ষায় অকৃতকার্যের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। তাই বক্তারা অবিলম্বে পূর্বের নিয়ম বহাল এবং নতুন নিয়ম বাতিলের দাবি জানান। বক্তারা আরও জানান, দাবি মানা না হলে ১৭ আগষ্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করা হবে। ছবি সংযুক্ত

গাইবান্ধায় ৭শ পরিবার নদী গর্ভে বিলীন: ভাঙ্গন অব্যাহত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, কাপাসিয়া, শ্রীপুর, কঞ্চিবাড়ি ও চন্ডিপুর ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর খর-¯্রােতে ২৫টি পয়েন্টে প্রবল ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ৭শ পরিবারের বসত-ভিটা, আবাদি জমি, গাছ-পালা, রাস্তা-ঘাট নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে আরো শ’ শ’ পরিবারের বসত-ভিটা, রাস্তা-ঘাট, আবাদী জমি। ভাঙ্গন কবলিত এসব স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভাটি বুড়াইল, উজান বুড়াইল, পূর্ব লালচামার, বোচাগাড়ি, ভাটি বোচাগাড়ি, পোড়ার চর, উত্তর শ্রীপুর ও দক্ষিণ শ্রীপুর, চর মাদারীপাড়া, হাজারীর হাট, উজান তেওড়া, পাড়া সাদুয়া, চর চরিতাবাড়ি, রাঘব, লখিয়ারপাড়া, বেলকা নবাবগঞ্জ, কিশামত সদর, পঞ্চানন, জিগাবাড়ি, বেকরির চর, ছয় ঘড়িয়া, খালির খামার, হরিপুর খেয়াঘাট। এসব স্থান ছাড়াও আরো কয়েকটি পয়েন্টে নদীর গতিপথ নতুন ধারণ করায় দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। ভাঙ্গন কবলিত পরিবার গুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে দুর্বিসহ দিনাতিপাত করছেন। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে। হুমকির মুখে পড়ায় এসব ভাঙ্গন কবলিত পরিবার ঘর বাড়ি সরিয়ে নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেণ। এ পর্যন্ত ভাঙ্গন কবলিত ৬’৫০টি পরিবারের তালিকা অফিসে জমা হয়েছে। এসকল পরিবার প্রতি ১ হাজার করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ভাঙ্গন কবলে এ পর্যন্ত ২ কোটিরও অধিক পরিমাণ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা দপ্তর সুত্র জানা গেছে।

পলাশবাড়ীতে সন্ত্রাস-নাশকতা জঙ্গীবাদের উত্থানের প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ও গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) নির্বাচনী এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মোঃ ইউনুস আলী সরকারের নেতৃত্বে সন্ত্রাস-নাশকতা ও জঙ্গীবাদের উত্থানের প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী স্থানীয় চৌমাথায় রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক, গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন সমূহ, থানা পুলিশ, পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজ, বাসুদেবপুর সি.কে স্কুল এন্ড কলেজ, পলাশবাড়ী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী মাদ্রাসা, এস.এম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, এসএমবি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ২নং হোসেনপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটু’র নেতৃত্বে হোসেনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজন অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, ডা. মোঃ ইউনুস আলী সরকার এমপি। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু বক্কর প্রধান, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ কবির সুমন প্রমুখ। এসময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কোহিনুর আকতার বানু শিফন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুর রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান পিপিএম। বক্তারা সন্ত্রাস-নাশকতা ও জঙ্গীবাদের উত্থানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান। মানববন্ধন শেষে সংসদ সদস্য উপজেলা বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ছবি সংযুক্ত

গাইবান্ধায় গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে সীমাহিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দূর্ভোগ চরমে

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গাইবান্ধাবাসিকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গাইবান্ধায় প্রতিদিন শহর এলাকাতেই ৫ থেকে ৬ বার করে ১ থেকে দেড় ঘন্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতি এক থেকে দু’ ঘন্টা পর পর লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হচ্ছে।
গ্রামাঞ্চলে এ অবস্থা আরও ভয়াবহ। তাই বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে একটি কথা চালু রয়েছে- ‘পল¬ী অঞ্চলে বিদ্যুৎ যায় না’ বরং ২৪ ঘন্টায় মাঝে মাঝে কিছু সময়ের জন্য আসে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে মোমবাতি জ্বালিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হচ্ছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ডিগ্রী পরীক্ষা চলাকালে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছে। ফলে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে।
loadshedingগাইবান্ধা বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বড় পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মেরামত কাজ শুরু হওয়ায় সেখান থেকে গ্রিড লাইনে গাইবান্ধা বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে বিদ্যুৎ আসছে মাত্র ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে গিয়ে এই চরম দুর্ভোগের কবলে পড়েছে মানুষ। আরও জানা গেছে, জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২২ থেকে ২৪ মেগাওয়াট। কিন্তু সেখানে পলাশবাড়ির গ্রিড লাইন থেকে দিনে ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট এবং রাতে বিশেষ করে পিক আওয়ারে ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে সংগত কারণেই গ্রামগুলোতে লোডশেডিং করে শহর এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে ঘাটতির সময়গুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে। তবে গ্রামাঞ্চলের লোকজন জানিয়েছেন, শুধু পিকআওয়ারেই নয় দিনের বেলাতেও ৩ থেকে ৫ ঘন্টা লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এদিকে গাইবান্ধা জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি কবে নাগাদ হবে এব্যাপারে গাইবান্ধা বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ নিশ্চিত করে তা বলতে পারে না। ছবি সংযুক্ত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ও পলাশবাড়ির কৃষকরা পানির অভাবে পাট পচাতে পারছেনা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা পানির অভাবে পাট পচাতে পারছে না। তীব্র খরায় পানি শুকিয়ে জাগ উঁচুতে পড়েছে। আবার অনেকেই হাঁটু পানিতে জাগ দিয়ে পাট পঁচানোর চেষ্টা করছে। এতে পাটের গুনগত মান নষ্ট হওয়ায় দাম কম পাওয়ার আশংকায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।
পলাশবাড়ী উপজেলার রামপুরা গ্রামের কৃষক চাঁন মিয়া জানান, এ এলাকা বন্যা মুক্ত হওয়ায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মাঝে মধ্যে বৃষ্টির দেখা মিললেও তা চাহিদার তুলনায় একেবারেই কম। যে পরিমান বৃষ্টি হয়, তা মাটির সাথে চুষে নেয়। আশপাশের খাল বিল এমনকি কোথাও জমানো পানি নেই। পানির অভাবে পাট পচাতে পারছিনা।
juteগোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের আমজাদ হোসেন ও শাখাহার ইউনিয়নের আয়াত আলী জানান, তিনি কিছুদিন আগে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পাটের জাগ দেয়। কিন্তু প্রচন্ড খরায় পানি শুকিয়ে যাওয়ায় পাটের জাগ উচাতে পড়েছে। তীব্র খরায় খাল বিলের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় পাট পচানো যাচ্ছেনা। এমনকি পাট পচানোর বিকল্প কোন পদ্ধতিও খুঁেজ পাওয়া যাচ্ছেনা। তারা আরও বলেন, অনেকে হাঁটু পানিতে পাট পচালেও পাটের সোনালী কালার নষ্ট হয়ে কালচে হচ্ছে। ফলে পাটের গুণাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রুহুল আমিন জানান, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার পাট চাষ বেশী হয়েছে। জেলায় দেশি জাতের ৩শ’ ৩০ হেক্টর তোষা ও ১৩ হাজার ৮শ’ হেক্টর মোট ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ছবি সংযুক্ত

বাজার কমিটির কর্মকর্তা কর্তৃক সন্ত্রাসী কায়দায় গাইবান্ধায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ির জায়গা জবর দখল ও মালামাল লুটপাট ॥ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

গাইবান্ধার পুরাতন বাজারে সন্ত্রাসী কায়দায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি সবুজ মিয়া ও মনু মিয়ার দোকানের জায়গা জবর দখল এবং মালামাল লুটপাট করে নেয় পূর্ব কোমরনই জুম্মাপাড়া এলাকার দবির উদ্দিন আকন্দের ছেলে রুহুল আমিন ও তার সহযোগি সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এব্যাপারে দু’পক্ষের মধ্যে মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে আশংকা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, পুরাতন বাজার কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুহুল আমিন ক্ষমতার দাপটে তার সহযোগি সন্ত্রাসী একই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে আব্দুল লতিফ, বাবু মিয়া ও চুটকি মিয়া এবং সহযোগি সন্ত্রাসী ফুলমিয়া, মুকুল মিয়া, সাইদুল মিয়া, আশরাফ আলী ১৪ আগষ্ট রোববার রাত ৩টায় লাঠিসোটা নিয়ে এসে চটি দোকানের প্রায় সাড়ে ৮৩ হাজার টাকার কাঁচামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে সেখানে নিজেরাই একটি দোকান চালু করে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে গত ৩ আগষ্ট দোকান দখল এবং হুমকি প্রদর্শন করলে রুহুল আমিনসহ উক্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি জিডি দায়ের করা হয় (নং ১৯০, তারিখ ঃ ০৩-০৮-১৬)। এছাড়া মনু মিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ আগষ্ট গাইবান্ধা পৌরসভায় ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইউনুস আলী শাহীনের সভাপতিত্বে এক শালিস বৈঠকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পৌর কাউন্সিলররা ছাড়াও প্যানেল মেয়র জিএম চৌধুরী মিঠু সরেজমিনে তদন্ত করে পুরাতন বাজারের ওই জায়গা রুহুল আমিন ও মনু মিয়ার মধ্যে সমান সমান করে ভাগ বাটোয়ারা করে দেন। কিন্তু শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও থানায় দায়েরকৃত জিডি উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কায়দায় রুহুল আমিন বেআইনীভাবে গোটা জায়গাটিই জবর দখল ও মালামাল লুটপাট করে নেয়।