🕓 সংবাদ শিরোনাম

শিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫করতোয়ার তীরে নিথর পড়ে ছিলো মস্তকহীন নবজাতক!গাজীপুরে দুই শিশুকে ‘হত্যার’ পর ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা মা’য়ের!ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: জাহাজ চলাচল বন্ধ; সহস্রাধিক পর্যটক আটকা সেন্টমার্টিনেআখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নীলফামারীর তিনদিন ব্যাপী ইজতেমাবঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর আহ্বানভোটে হেরে ক্ষোভ মেটাতে রাস্তায় বেড়া দিলেন প্রার্থী, ভোগান্তিতে পুরো গ্রাম!

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

কক্সবাজার চকরিয়ায় দুই সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু, আহত ৭


❏ বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০১৬ চট্টগ্রাম

জামাল জাহেদ কক্সবাজার : কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৃথক দুই সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বাবা নিহত ও ছেলে আহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহাসড়কের খুটাখালী ষ্টেশন এলাকায় দ্রুতগামি মাইক্রোবাসের চাপায় বাবার মৃত্যু হয়। ওই তার ছেলেসহ অন্তত ৩ জন আহত হন।

অপরদিকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাস্তা মাথা এলাকায় ব্যাটারিচালিত টমটম উল্টে একজন নিহত ও ৪ জন আহত হন।

খুটাখালীতে গুরুতর আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিষ্টান হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তাদের মধ্যে আহত এক শিশুর অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক মাইক্রোবাসটি আটক করলেও চালক পালিয়ে গেছেন।

koksপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হতদরিদ্র ও প্যারালাইসে আক্রান্ত ফরিদুল আলম (৪৮) ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে তার ব্যক্তিগত কাজ শেষে চকরিয়া পৌর শহরের দিকে যাওয়ার জন্য একটি টমটম গাড়িতে উঠেন। গাড়িটি ফাঁসিয়াখালী রাস্তা মাথায় পৌঁছলে সড়কের একটি গর্তে আটকে গাড়িটি উল্টে যায়। অসুস্থ ফরিদুল আলম এই দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহত ফরিদুল আলম ইউনিয়নের দিগরপানখালী এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। ওই সময় টমটমের অপর ৪ যাত্রীও আহত হন।

অপরদিকে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে চকরিয়াগামী মাইক্রোবাসটি (চট্টমেট্টো-ছ-১১-১৯১০) চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাসষ্টেশনে দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। ওই সময় বিপরীতমূখী চেয়ারকোচ সামনে পড়লে মাইক্রোবাস চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে কবরস্থানের লাগোয়া ভাসমান দোকানে গাড়িটি তুলে দেন। ওই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা তিনজনকে মাইক্রোবাসটি চাপা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত মালুমঘাট খ্রিষ্টান হাসপাতালে ভর্তি করান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোহাম্মদ জুনাইদ (৩০) নামের এক পাইপ মিস্ত্রির মৃত্যু হয়। তিনি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পিয়াজ্জাকাটা এলাকার আবুল কালামের ছেলে।