কুড়িগ্রামে ১০ নং ডিসি রোর্ডের বেহাল দশা, ৫ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে


❏ বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

f


ফয়সাল শামীম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম সোনাহাট- ১০নং ডিসি রোডের কালীগঞ্জ- টু ভিতরবন্দ অংশের কালীগঞ্জ বাজার থেকে মন্নেয়ারকুড়া ২কিলোমিটার রাস্তা বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গতকাল সরেজমিন ঘুড়ে দেখা যায় কালীগঞ্জ বাজার হতে কামাড়পাড়া পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা মাঝে মাঝে পিচ ও খোয়া স্রোতে ভেসে গিয়ে ছোটবড় অসংখ্য গর্ত পরে বেহাল হয়ে গেছে।

এর ফলে নাগেশ্বরীর ৪টি ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ৩টি মোট ৭টি ইউনিয়ন যথা কেদার,কচাকাটা,নারায়নপুর,বল্লবেরখাস,বলদিয়া,চরভুরুঙ্গামারী ও সোনাহাট এলাকার ৫লক্ষাধিক মানুষ জেলা সদরে ওই রাস্তাটি দিয়ে বর্তমান যাতায়াত করতে নিদারুন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রকৌশলী দ্বয় সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, তারা ইতিমধ্যে ওই রাস্তাটি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরেছে এরুপ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সরেজমিন কালীগঞ্জ বাজার থেকে মন্নেয়ার কুড়া পর্যন্ত অংশে যান বাহন চলাচল তো দুরের কথা বাই সাইকেল নিয়েও চলাচল করা যায় না।

কামারপাড়া এলাকার ইউপি সদস্য নুর ইসলাম জানান, এবারের বন্যা ৮৮সালের বন্যাকে হার মানিয়েছে। উজানের পানি বৃদ্ধির প্রচন্ডতা এবার বেশি ছিল ফলে কাচাপাকা রাস্তা ব্রীজকালর্ভাট অনেক ক্ষতি হয়েছে। এই রাস্তাটি এবার কোমড় পানিতে ডুবে ছিল ফলে রাস্তার অধিকাংশ ছিড়ে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মন্নেয়ার পাড় গ্রামের আলু ব্যবসায়ী মোমেনুল ইসলাম ও কাশেম আলী জানান,তারা প্রতিদিন সাইকেলে বস্তায় করে আলু নিয়ে কালীগঞ্জ বাজারে বিক্রী করে সংসার চালায়। রাস্তা এত খারাপ যে সাইকেল নিয়ে যাওয়া যায় না।

রিক্সা চালক মজরুদ্দিন ও কাচুয়া জানান,তারা ভিতরবন্দ থেকে যাত্রী নিয়ে আর কালীগঞ্জ যাচ্ছে না। ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক চালক শামসুল হক বলেন,ওই দুই কিলোমিটার রাস্তা অটো নিয়ে যাওয়ার তো দুরের কথা পায়ে হেটে যাওয়া যায় না। রাস্তার ইটের খোয়া পায়ে লাগে। কালীগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তবারক আলী জানান,রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। চলাচল করা যায় না। এ কারনে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারছে না। রাস্তাটি জরুরী ভাবে মেরামত করা দরকার।