🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

কিভাবে বুঝবেন আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে ?


❏ বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য, স্পট লাইট

সাস্থ্য ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর – প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেটব্যথা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেয়া জরুরি। প্রয়োজনে যত শিগগিরই সম্ভব আপারেশন করাতে হতে পারে।

অনেকে এই ব্যথা হলে ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে পরবর্তীতে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।

মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু। তলপেটের ডান দিকে লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। মূলত বেঁচে থাকার জন্য এটির প্রয়েজনীয়তা এখনো জানা যায়নি। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে। ব্যথা তীব্র ও হালকা দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা ১/২ বার বমিও হতে পারে।

সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তীতে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি পিণ্ডের মতো তৈরি হতে পারে।

apendisaitis

সময়মতো চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালীর ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না।

কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেয়া বন্ধ রাখুন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।