🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘ভাই কবরে ,খুনি কেন বাহিরে’ শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের কফিন মিছিলশিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫করতোয়ার তীরে নিথর পড়ে ছিলো মস্তকহীন নবজাতক!গাজীপুরে দুই শিশুকে ‘হত্যার’ পর ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা মা’য়ের!ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: জাহাজ চলাচল বন্ধ; সহস্রাধিক পর্যটক আটকা সেন্টমার্টিনেআখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নীলফামারীর তিনদিন ব্যাপী ইজতেমাবঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর আহ্বান

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

স্ট্রেস থেকে দুরে থাকুনঃ স্বাস্থ্য ভাল রাখুন


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৬ লাইফস্টাইল
Frustrated student

Frustrated student


লাইফস্টাইল:

অফিস কী বাড়ি সবখানেই স্ট্রেস, নিত্য নতুন টেনশন। বুক ধড়ফড় করলেই হার্টের সমস্যা না-ও হতে পারে। কিন্তু আনুষঙ্গিক অন্য সমস্যা থাকলে হার্টের সমস্যা হতেও পারে। আসলে একটানা স্ট্রেস চলতে থাকলে মুশকিল। এ রকম বুঝলে রক্তচাপ আর ইসিজি করিয়ে নিতে হবে। কোনও সমস্যা নিয়ে এক-আধ দিন চিন্তা করলেন, তো ঠিক আছে। কিন্তু দিনের পর দিন স্ট্রেস পুষে রাখলে বিপদ। ব্লাড প্রেসার বাড়বে, ডায়বেটিস হবে। ফলে খুব সহজেই হার্টের সমস্যা আসবে। অন্যদিকে সকলে ফুরফুরে মনে অফিস আর সংসার সামলাতে পারে না। তবে যদি দেখা যায় সবসময়ই স্ট্রেসে হিমশিম খাচ্ছেন, তাহলে দেরি না করে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট রপ্ত করতে হবে। দরকারে মনোবিদের কাছে যেতে হবে।

স্ট্রেস তো রোজকার সঙ্গী। সেটা যে মাত্রা ছাড়াচ্ছে, তা বুঝব কী ভাবে? একটু খেয়াল করলে নিজেই বুঝতে পারবেন। ধরুন আগে রাতে শুলেই ঘুমিয়ে পড়তেন। এখন ঘুম উধাও। বা উল্টোটা। সারা দিনই ঘুম পাচ্ছে। কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না বা সারা দিনই খাচ্ছেন। সব সময় একটা ক্লান্তি ঘিরে রয়েছে। অল্পতেই রেগে যাচ্ছেন। খিটখিটে লাগছে, বিরক্তিও। যেটা আগে হত না। তা ছাড়া শারীরিক দিক দিয়েও কিছু সমস্যা হতে পারে। প্রেসার বাড়তে পারে, বুক ধড়ফড় হতে পারে। এ ধরনের অস্বাভাবিক কিছু দেখলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া নিরাপদ। প্রেসার ওপরের দিকে থাকলে সেটা অবহেলা না করে সতর্ক হলে ডাক্তার অবধি না-ও যেতে হতে পারে। নিজের ভাললাগাগুলোকে হারিয়ে যেতে দেবেন না। ভাললাগা মনের অক্সিজেন। হার্ট ভাল রাখতে এরও দরকার আছে। বেড়ানো, বই পড়া, গান শোনা, বাগানে সময় কাটানো, যা ভাল লাগে তাই করুন।

বুক, তলপেট, পিঠ বা বাঁ হাতে ব্যথা হার্টের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। তাই বলে এ রকম ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়। তবে ব্যথার কারণ হার্ট কি না, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। হার্টের সমস্যা হলে সময় পাবেন না। এমনকী দাঁতে ব্যথা হচ্ছে, দাঁত তুলে ফেললেন, অথচ ব্যথা কমছে না, এ রকম হলেও সেটা হার্টের সমস্যা হতে পারে। ৪০-এর পর বছরে এক বার চেকআপ দরকার। মেয়েদের চেকআপও খুব জরুরি।

সাধারণতঃ মেনোপজের আগে মেয়েদের তেমন হার্টের সমস্যা হয় না তবে এখন আর সেই থিয়োরি খাটে না। হরমোন আপনাকে যতটা সুরক্ষা দেবে, সেই তুলনায় স্ট্রেস অনেক বেশি। তাই কম বয়সে মেয়েরা সুরক্ষিত এমন ভেবে বসে থাকবেন না। মেয়েদেরও বছরে অন্তত এক বার রুটিন টেস্ট দরকার। এতে হার্টের সমস্যা এড়ানো যাবে বলা যাবে না তবে আগে ভাগে ধরা পড়লে ব্যাপারটা বেশি দূর গড়াবে না। হার্ট ভাল রাখতে হলে ওজন বাড়তে দেয়া যাবে না।

মুশকিল হলো, ওজন বাড়ছে টের পাচ্ছি, কিন্তু এক্সারসাইজের সময় নেই। সেজন্য অফিস থেকে ফেরার সময় বাড়ি থেকে দুটো স্টপেজ আগে গাড়ি থেকে নেমে পড়তে হবে। কুড়ি-পঁচিশ মিনিট হেঁটে বাড়ি ফিরলে আলাদা করে এক্সারসাইজের দরকার হবে না। আর যে এক্সারসাইজ-ই করা হোক না কেন, তার আগে জেনারাল হেলথ চেকআপ আর ইকোকার্ডিয়োগ্রাম করে নিতে হবে। হার্টের অনেক গঠনগত সমস্যা থাকতে পারে। দুমদাম এক্সারসাইজ করলে সেজন্য বিপদ হতে পারে। এক্সারসাইজ যাই-ই করা হোক সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার কথাও মাথায় রাখতে হবে।

সব সময়ই স্বাভাবিক খাবারই খেতে হবে তবে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম হতে হবে। হুহু করে এত যে ডায়বেটিস হচ্ছে, তার পেছনে কার্বোহাইড্রেট। রোজকার খাবারে ভাতের পরিমাণ কমাতে হবে তরকারি যেন আলুকেন্দ্রিক না হয়। সবুজ সবজি বেশি খেতে হবে। খুব ভাল হয় এক জন বিশেষজ্ঞ ডায়টেশিয়ানকে দিয়ে ডায়েট চার্ট বানিয়ে নেন।