🕓 সংবাদ শিরোনাম

দু’সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের কোভিড টিকাকরণ, সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নেবাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৪৭ ভরি স্বর্ণসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ আটকফিরে দেখা; ইতিহাসে আজকে এই দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহশীতে অপরূপ লাল শাপলার ডিবির হাওরময়মনসিংহ শহরের ভেতরেই রেলক্রসিং: প্রতিদিন ৮ ঘন্টা যানজটবিজয়ের ৫০ বছরে ওয়ালটন ল্যাপটপ ও এক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়মাইকিং করে ২গরু জবাই করল পরাজিত প্রার্থী, দাওয়াতে এলো না কেউ!সুনামগঞ্জে আফ্রিকা ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকাতদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য-জেরায় সাক্ষ্যপর্ব সমাপ্তবিকৃতমনা মাদ্রাসা শিক্ষকের লালসার শিকার অসহায় এক কিশোরের জবানবন্দী!

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

লামায় নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক সেলিমের থানায় অভিযোগ


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৬ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

এস.কে খগেশপ্রতি চন্দ্র খোকন, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: লামায় নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ করেছে মো. সেলিম উদ্দিন(৩০) নামে এক সাংবাদিক। সে আজিজনগর সাংবাদিক ফোরামের সাধারন সম্পাদক ও বান্দরবান থেকে প্রকাশিত দৈনিক মৈত্রী পত্রিকার আজিজনগর প্রতিনিধি। মো. সেলিম উদ্দিন আজিজনগরের ৩নং ওয়ার্ড চেয়ারম্যান পাড়ার শফিকুল আলম এর ছেলে।jour.selime

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজিজনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা জবরদখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করেন সাংবাদিক সেলিম। প্রকাশিত সংবাদে জের ধরে এই প্রাণ নাশের হুমকি সহ গালিগালাজ ও খারাপ মন্তব্য করে একই এলাকার বদিউল আলমের ছেলে এইচ.এম জাহাঙ্গীর ও মৃত ফজু মিয়ার ছেলে মীর আহাম্মদ। ১৭ আগষ্ট বুধবার রাত ৯টায় আজিজনগর বাজারের ইসমাইলের মোবাইলের দোকানে বসেছিল সেলিম। সেখানে উপস্থিত হয় অভিযুক্ত ২জন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তার গায়ের দিকে ছুটে আসেন এবং খুব গালমন্দ করেন। অবস্থা ভাল না দেখায় দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিত হামলা থেকে রক্ষা পায় সেলিম। তারপর পরের দিন ১৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকালে নিরাপত্তা চেয়ে স্ব-শরীরে এসে লামা থানায় ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে সাংবাদিক সেলিম।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মীর আহাম্মদ বলেন, আজিজনগরে তো আরো অনেক সাংবাদিক আছে তাদের সাথে কেন সমস্যা হয়না। এলাকার মানুষ কাজকর্ম করতে না পারলে কি করে চলবে ? সাধারন মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে ঝিরি থেকে বালু তুলে আমরা ক্রয় করি। তাছাড়া আমরা কাউকে কোন প্রকার হুমকি দেয়নি।

অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করতে এ.এস.আই অপু বড়–য়াকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পেলে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হবে।