🕓 সংবাদ শিরোনাম

ফিরে দেখা, ১৯৭১- ‘মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে’দু’সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের কোভিড টিকাকরণ, সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নেবাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৪৭ ভরি স্বর্ণসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ আটকফিরে দেখা; ইতিহাসে আজকে এই দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহশীতে অপরূপ লাল শাপলার ডিবির হাওরময়মনসিংহ শহরের ভেতরেই রেলক্রসিং: প্রতিদিন ৮ ঘন্টা যানজটবিজয়ের ৫০ বছরে ওয়ালটন ল্যাপটপ ও এক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়মাইকিং করে ২গরু জবাই করল পরাজিত প্রার্থী, দাওয়াতে এলো না কেউ!সুনামগঞ্জে আফ্রিকা ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকাতদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য-জেরায় সাক্ষ্যপর্ব সমাপ্ত

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

প্রশান্তিতে ভরে থাকুক আপনার শোবার ঘর


❏ শনিবার, আগস্ট ২০, ২০১৬ লাইফস্টাইল

প্রশান্তিময় শোবার ঘর

নিশীতা মিতু, লাইফস্টাইল ফিচার এডিটর, সময়ের কণ্ঠস্বর। একটু সুন্দর ছিমছাম শোবার ঘর বলতে আমার কি বুঝি? খাট, অয়্যারড্রপ, লকার আর তার পাশাপাশি হয়তো ছোট একটি চেয়ার বা সোফা, কিংবা খাটের পাশে ছোট একটা টেবিল তাইতো? তবে একটি শোবার ঘরকে প্রশান্তিময় করে তুলতে কি কেবল আসবাবপত্রই যথেষ্ট? মোটেও নয়। আসবাবপত্র ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করলেও হয়ত আমাকে প্রশান্তি দিতে সক্ষম হয়না। আর তাই ঘরকে প্রশান্তির স্থান করে তোলার জন্য ঘরে পাঁচটি জিনিস অবশ্যই থাকা চাই। কি সেই জিনিসগুলো চলুন জেনে নেওয়া যাক।

১। নরম তুলতুলে কুশনঃ
আপনার শোবার ঘরকে প্রশান্তিময় করে তুলতে কুশন এর গুরুত্ব বেশ ভালোই বলা চলে। প্রথমত এটি আপনাকে আরাম প্রদান করবে। হয়ত পিঠে কিছুর সাপোর্ট দিয়ে বসতে চাইছেন তখন কুশন ব্যবহার করলেন। কিংবা অল্প একটু কাত হয়ে খানিকটা সময় থাকতে চাইছেন তখন ও কুশন ব্যবহার করতে পারেন। শোবার ঘরে যদি ছোট একটা সোফা রাখেন সেখানে দুই চারটি কুশন রাখতে পারেন।
কুশনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হয় আপনার ঘরের রঙের ভারসাম্য রক্ষা করা। এই ধরুন লেমন বা লেবু রঙের বিছানার চাদর, পর্দা হলে সাথে হলুদ রঙের কুশন রাখতে পারেন। সাদা চাদর হলে ছাই রঙা বা হালকা গোলাপি রঙের কুশন রাখবেন। এই কুশনগুলো আপনার শোবার ঘরের সৌন্দর্যের এক ভিন্ন মাত্রা এনে দেবে।

২। ঘরের রঙে থাকুক স্নিগ্ধতাঃ
শোবার ঘর অবশ্যই এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রবেশ করলেই আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে মনে প্রশান্তি বিস্তার করবে। বেশ অনেকটা সময় ধরে ঘরের একই রঙ একঘেয়ামী সৃষ্টি করে। তাই ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে ঘরের রঙে বৈচিত্র আনতে চেষ্টা করুন। যেই ঋতুতে প্রকৃতিতে যা পাওয়া যায় তার সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন জিনিস দিয়ে ঘর সাজান। এই যেমন এখন শরৎ কাল শুরু হয়েছে। তাই ঘরকে সাদা আর আকশি রঙের মায়ায় সাজাতে পারেন। ঘরের দেয়ালে কাশফুলের কোন ওয়ালপেপার লাগিয়ে রাখতে পারেন। শীতকালে ঘরের রঙ হবে গাঢ় রঙের আর গ্রীষ্মে অপেক্ষাকৃত হালকা রঙের। এই ব্যাপারটায় খেয়াল রাখবেন কিন্তু।

৩। ঘর থাকুক জীবন্ত, ভরে উঠুক সতেজতায়ঃ
শোবার ঘরকে প্রশান্তিময় করার একটি বড় প্রয়োজনীয় ব্যাপার হল ঘরে আপনি ছাড়াও জীবন্ত কিছু থাকা। অবাক হচ্ছেন? কোন মানুষ নয়, বরং জীবন্ত গাছ আর ফুলই আপনার মনকে মুহূর্তেই প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিতে পারে। ছোট ছোট টবে ঘরে রাখা যায় এমন দুই একটা পাতাবাহার বা ঘাসফুলের টব ঘরে রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ঘরে একগুচ্ছ জীবন্ত ফুল রাখতে পারেন। খাটের পাশে ফুলদানীতে একগুচ্ছ ফুল অবশ্যই আপনার মন ভালো করতে সক্ষম। ফুলের ক্ষেত্রে রঙের ব্যাপার মাথায় রাখার দরকার নেই। কেননা যেকোন রঙের, যেকোন আকৃতির ফুল ই ঘরকে সুন্দর করে তোলে।

৪। ঘরে রাখুন মোমবাতিঃ
মনকে শান্তিতে ভরে দিতে বাহারি মোমবাতিত জুড়ি নেই। ড্রেসিং টেবিলের সেলফে বা কেবিনেটের কোণে, সুন্দর নকশা করা কিছু মোম্বাতি রাখুন। মাঝে মাঝে বাতি নিভিয়ে দুই চারটি মোমবাতি জ্বালান। মাথা থেকে চাপ কমাতে সাহায্য করবে এটি।

৫। একান্তই আপন কিছুঃ 
শোবার ঘর মানেই তো আপনার নিজের একটা ভুবন। আর তাই নিজ ভুবনটাকে একান্তই নিজের জিনিস দিয়ে সাজিয়ে ফেলুন। প্রিয়জনের সাথে আপনার ছবি ফ্রেমে করে রাখতে পারেন। প্রকৃতি প্রেমি হলে সুন্দর দেয়ালসজ্জায় ঘর সাজাতে পারেন। আর এমন যদি হয় আপনি নিজেই ছবি তুলেন তবে নিজের তোলা বা নিজের আঁকা ছবিই ঘরে রাখুন। মন ভালো হয়ে যাবে সবসময়। প্রিয় কারো কাছ থেকে পাওয়া প্রিয় জিনিসগুলোও চোখের সামনে সাজিয়ে রাখতে পারেন যেন দেখলেই মনে একটা শান্তি আসে। এছাড়া প্রিয় লেখকের বই, প্রিয় ভ্রমনের স্মৃতি এসব তো রাখতেই পারেন।

আপনার শোবার ঘর হোক আপনার সবচেয়ে প্রিয় স্থান। যেখানে এলেই আপনি পাবেন স্বস্তি আর মন ভরে উঠবে প্রশান্তিতে।
রেফারেন্সঃ Lauren Flanagan, Family & Living Rooms Expert (about.com)