🕓 সংবাদ শিরোনাম

দু’সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের কোভিড টিকাকরণ, সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নেবাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৪৭ ভরি স্বর্ণসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ আটকফিরে দেখা; ইতিহাসে আজকে এই দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহশীতে অপরূপ লাল শাপলার ডিবির হাওরময়মনসিংহ শহরের ভেতরেই রেলক্রসিং: প্রতিদিন ৮ ঘন্টা যানজটবিজয়ের ৫০ বছরে ওয়ালটন ল্যাপটপ ও এক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়মাইকিং করে ২গরু জবাই করল পরাজিত প্রার্থী, দাওয়াতে এলো না কেউ!সুনামগঞ্জে আফ্রিকা ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকাতদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য-জেরায় সাক্ষ্যপর্ব সমাপ্তবিকৃতমনা মাদ্রাসা শিক্ষকের লালসার শিকার অসহায় এক কিশোরের জবানবন্দী!

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

গাইবান্ধায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক : চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হলদিয়া ইউনিয়নের নলছিয়া গ্রাম পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর সড়কটির ১০০ মিটার অংশ বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন ওই সড়কে চলাচলকারী এ এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

sorok-vanga

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নলছিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক জানান, বন্যার প্রবল পানির চাপে পাকা সড়কটির কাঠুর নামক স্থানে ধসে যায়। পানির স্রোতে সড়কটির মাটি পর্যায়ক্রমে ওঠে ৮-১০ ফুট গভীর হয়। কিন্তু বন্যা পরবর্তী ভাঙ্গন কবলিত স্থানটি আজও নির্মাণ করা হয়নি। একই গ্রামের নুরুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি বন্যার পানি কমে গেলেও সড়কটি পুনর্নিমাণ না করায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

উপজেলার কাঠুর গ্রামের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান জানান, বন্যার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর ভেঙ্গে যাওয়া স্থানটি পুনঃনির্মাণ না করায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ আছে। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জুমারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোস্তম আলী জানান, হলদিয়া ও জুমারবাড়ী ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র পথ এ সড়কটি। কিন্তু কাঠুর নামক এলাকায় সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে দুই ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ দুর্ভোগের কবলে পড়েছে। সাঘাটা উপজেলা প্রকৌশল সাবিউল ইসলাম জানান, জন দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সড়কটি পুনঃনির্মার্ণের জন্যে গাইবান্ধা জেলা অফিসে তথ্য পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুল আলম সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ওই অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রকল্প বরাদ্দ দিলেই কাজ শুরু করা হবে।