ফুলবাড়ীতে প্রচন্ড তাপদাহ ও বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকের মাথায় হাত


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

অনীল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ভরা বর্ষা মৌসুমে দেশের এলাকায় যখন বৃষ্টি হচ্ছে তখন প্রখর রোদের তাপে মাঠে ঘাটে,বাসা বাড়ী,দোকান পাটসহ বিভিন্ন অফিস ও ব্যাংক বীমাগুলোতে জনজীবন অতিষ্ঠ। প্রখর রোদের তাপে নিম্ন আয়ের মানুষজন শান্তি মত কাজ-কাম করতে পাছে না।HOT PHOTO =21-2

স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রচন্ড গরমে ক্লাসে পাঠ করতে পারছে না। অন্য দিকে বৃষ্টি না হওয়ায় আমনের চারা রোপন করে সেচ ও শ্যালো মেশিন দিয়ে পানির দিয়ে আমন ক্ষেত রক্ষার চেষ্টা করছে চাষিরা। এতে উতপাদন ব্যয় দ্বিগুন হারে বেড়ে যাওয়ার আশংকায় কৃষকরা। সময় মত বৃষ্টি না হওয়ায় এবারে আমন ক্ষেতের সংশয় দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির অপেক্ষা করতে করতে কৃষকরা বাধ্য হয়ে মাঠে ডিপ ও শ্যালো মেশিন দিয়ে জীবন রক্ষার্থে দ্বিগুন খরচ স্বীকার করে আমন ক্ষেতে পানি দিচ্ছে।

উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক বীরেন্দ্র নাথ রায়,ছোবেদ আলী,নির্মল চন্দ্র বর্মন,মনছার আলী জানান,বোরো মৌসুমে ভাল ফলন পেলেও ধানের দাম না পেয়ে লোকসানের মূখ দেখতে হয়েছে। ভরা বর্ষার বেশির ভাগ সময় চলে গেলেও এখন অবদি পর্যন্ত আমরা বৃষ্টিপাতের দেখা নেই। বর্তমানে আমনের মাঠ জুড়ে ফেটে খাঁ খাঁ হয়ে গেছে। তারা আরো জানান,আষাঢ-শ্রাবন মাসে এ রকম খরা বাপের জীবনেও দেখিনি। শ্রাবন মাসে সমস্ত নদীনালা,খালবিল,ডোবা,নিচু জমির পানিতে থৈ থৈ করত। পানিতো দুরের কথা জমিগুলো প্রখর রোদের তাপে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এ দিকে ডিজেল তেলের দাম বেশি হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহাবুবুর রশিদ জানান,চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিধারন করা হয়েছে। অজির্জত হয়েছে ১১ হাজার ২শত হেক্টর জমিতে। প্রকুতির নিমর্মতার কারনে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক কৃষক জমিদে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিচ্ছে এবং উদপাদন ব্যায় বাড়বে। এভাবে বেশি দিন দিন খরা থাকলে আমন চাষের বিশাল প্রভাব ফেলবে।