• আজ সোমবার, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

গরুর গোস্ত যেভাবে খেলে স্বাস্থ্য ঝুকি কমে…


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০১৬ লাইফস্টাইল

safe-beef-eating


লাইফস্টাইলঃ

লাল গোশত একটি প্রধান খাবার, কিন্তু লাল গোশত খাওয়ার উপায়গুলো আমাদের জন্য হন্তারক হয়ে দাঁড়াতে পারে। ২৮ বছর ধরে এক লাখ ২১ হাজার বয়স্ক মানুষের পছন্দের খাবারের ওপর নজর রেখে হার্ভার্ড গবেষকেরা দেখেছেন, যেসব লোক প্রতিদিন গড়ে ৮৫ গ্রাম করে লাল গোশত খেয়েছেন তাদের মৃত্যুঝুঁকি নিরামিষভোজীদের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি তারা বেশি মারা যান হৃদরোগে ও ক্যান্সারে।

প্রক্রিয়াজাত গোশত প্রতিদিন খেলে এই ঝুঁকি ২০ শতাংশ পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। ঘনীভূত চর্বি ও কোলেস্টেরল গোশতের এই ঝুঁকির একমাত্র কারণ। বেশি গোশত খাওয়ার কারণে শরীরে অতি মাত্রায় আয়রন বা লোহা জমে, যা হার্টের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে। সোডিয়াম ও নাইট্রেট প্রক্রিয়াজাত গোশতকে আরো বিপজ্জনক করে তোলে। তাই বিশেষজ্ঞেরা লাল গোশত খাওয়া কমানো কিংবা একেবারে ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

২০১২ সালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যেসব লোক নিয়মিত চর্বিহীন গরুর গোশত (lean meat) খান, তারা বেশি পরিমাণে প্রোটিন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম ও বি-ভিটামিন পান। অন্যরা তা তেমন পান না। ২০১০ সালে পরিচালিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনুমিত হিসাব মতে, চর্বিহীন গরুর গোশত থেকে আমরা পাই ১৫ শতাংশ প্রোটিন ও মাত্র ৪ শতাংশ চর্বি। অতএব এরপরও আপনি পথে লাল গোশত যোগ করার সুযোগ রয়েছে।

সোজা কথায় সপ্তাহে কয়েক দিন আপনি লাল গোশত খেতে পারেন। অতএব বেছে নিন চর্বিহীন গোশত। কমিয়ে দিন কিংবা এড়িয়ে চলুন প্রক্রিয়াজাত গোশত। সবজি, ফল ও শস্যদানার সাথে গোশতের ফালি খেলে তেমন কোনো বিপদের ঝুঁকি নেই।

গোশত খাওয়ার ভালো উপায়ঃ

চর্বিহীন গোশত খাবেনঃ

ঘাস খায় এমন পশুর পাছার বা রানের গোশত (rump), গরুর নিতম্বের বা দেহের ঊর্ধ্বাংশের গোশত (sirloin অথবা Tenduloin) বেছে নিন। এগুলো চর্বি জমা কমিয়ে দেয় পাতলা চামড়ার মুরগির গোশতের মতো।

তৃণভোজী পশুর গোশত খাবেনঃ

শস্যদানা খায় এমন পশুর গোশত না খেয়ে তৃণভোজী পশুর গোশত খাবেন। এই গোশতের দাম বেশি তবে এতে তুলনামূলক বেশি ওমেগা-৩ থাকে।

কম করে খাবেনঃ

সঠিক পরিমাণে প্রোটিন পাওয়ার জন্য ৮৫ গ্রাম করে গোশত খাবেন। একটি তাসের বান্ডিলের সমান আকারের গোশতের টুকরায় এই পরিমাণ গোশত থাকে।

প্রাকৃতিক অ্যালার্জি উপশমঃ

পিপারমিন্ট আইসঃ

পিপারমিন্ট হচ্ছে সুগন্ধী পদার্থবিশেষ, মেনথল। পানি ও পিপারমিন্ট পাতার গুঁড়া মিশিয়ে বরফের টুকরা তৈরি করুন। এই বরফের টুকরা প্লাস্টিক দিয়ে মুড়ে এই বরফ টুকরা চোখের ওপর প্রয়োগ করুন। দেখবেন, তা সাইনাসের কষ্ট উপশম করতে পারে।

বাষ্পপ্রবাহঃ

একটি বড় গামলায় গরম পানি নিন। এতে লবণ ও মধু মেশান। মাথার ওপর একটি ছোট্ট তোয়ালে দিয়ে ঢেকে এই গরম পানির বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিন। এতে সাইনাস সমস্যা দূর হতে পারে।

লক্ষণরোধী চুমুকঃ

পেষা রসুন, আদা, লেবুর রস, মরিচের গুঁড়া, মধু ও পানি একটি সসপ্যানে নিয়ে গরম করুন। নাড়াচাড়া দিয়ে একে টান টান আঠার মতো করুন। এই মিশ্রণ প্রতিদিন এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ সমপরিমাণ পান করুন। তা অনেক রোগের লক্ষণ ঠেকাবে।