• আজ রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২১ ৷

‘তাদের প্রতিটি বক্তব্যে আভাস ছিল আমাকে হত্যার’


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২১ আগস্ট হামলার আগে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, আমি বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারবো না। গ্রেনেড হামলার পর প্রকাশ হতে শুরু করে, কেন খালেদা জিয়া এ কথা বলেছিলেন। খালেদার পুত্র তারেক রহমান ধানমন্ডি ৫ নম্বরে তার শ্বশুরবাড়িতে একটানা দশ মাস ছিল; ১ আগস্ট সেনানিবাসের বাসায় ফিরে যায়। তারেক রহমান কেন ছিল সেখানে? ষড়যন্ত্রের সুবিধায়? তাদের প্রতিটি বক্তব্যে আভাস ছিল আমাকে হত্যার।’shiekh-hasina_2২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে রবিবার ‘বঙ্গবন্ধু এভিনউ’-এ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলাকারীদের নিরাপদে সরিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। ‘এর আগে আমাদের মিটিং করতে দেয়া হতো না, হাজার হাজার পুলিশ দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হতো। আর কী আশ্চর্যের বিষয়, সেদিন (২১ আগস্ট) পুলিশের কোনো তৎপরতাই নাই।’

‘এমনকি আমরা যখন মিটিং করি, তখন আমাদের ভলান্টিয়ারদেরও আশপাশের এলাকার বাড়ি বা অফিসের ছাদেও যেতে দেয়নি তখনকার বিএনপির সরকার। কাউকে সেদিন নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করতে দেয়নি। এটা কেন দেয়নি?’ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘পুলিশ সব সময় (আওয়ামী লীগের মিটিংয়ে) বাধা দিয়েছে, কিন্তু সেদিন পুলিশ নীরব।’

তিনি বলেন, ‘মৃত্যু বারবার আমার পিছু ছুটেছে, কিন্তু আমি ভীতু ছিলাম না। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। আমি জাতির জনকের কন্যা। জন্মেছি যখন, যে কোনো সময় মৃত্যু আসতে পারে।’

গ্রেনেড হামলার ভয়াবহতার স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটার পর একটা গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তারা ১৩টি গ্রেনেড তারা মেরেছে। আমার গায়ে রক্ত দেখে অনেকে ভেবেছে আমি আহত। আল্লাহর রহমতে আমার শরীরে কোনো স্প্রিন্টার লাগেনি। হানিফ ভাইয়ের গায়ে লাগে, তিনি রক্তাক্ত হন।’

তিনি বলেন, ওই হামলায় আমরা আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে হারাই।