🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৩০ নভেম্বর, ২০২১ ৷

রুদ্রকর ইউনিয়নে পাল্টা পাল্টি শোক দিবস পালিত; নেতাদের খাবার ভিআইপি


❏ রবিবার, আগস্ট ২১, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: জেলার সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নে পাল্টা পাল্টি শোক দিবস পালিত হয়েছে। গনভোজে নেতাদের খাবার ভিআইপি করা হয়েছে। একই ইউনিয়নে ৭স্থানে শোক দিবস পালন করেন আওয়ামীনেতা কর্মীরা। ২১আগষ্ট রোববার বিকেল ৩টার দিকে রুদ্রকর ইউনিয়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।Shariatpur 15August Pic-2

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে তার রুহহে মাগফেরাত পালন উপলক্ষ্যে শোক দিবসে আলোচনা সভা, মিলাদ ও গণভোজ পালন করা হয়েছে রুদ্রকর ইউপি আ:লীগ। রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষ দ বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ঢালী ও রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাভানা আক্তারের স্বামী মোক্তার হোসেন চৌকিদার রুদ্রকর ইউনিয়নে ৭টি স্থানে পাল্টা পাল্টি শোক দিবস পালন করেন। রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সামনে কার্যালয়, রুদ্রকর ইউনয়ন পরিষ দ মাঠ প্রাঙ্গন, আমিন বাজার, মাকসাহার, আমতলি, বড় সোনামূখী, ঘোড়ার ঘাট স্থানগুলোতে গণভোজের আয়োজন করা হয় ।

শোক দিবসে আশা নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কিছু সাধারণ মানুষ জানান, রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সামনে কার্যালয় মাঠে রুদ্রকর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ঢালী অনুষ্ঠান শেষে যে গণভোজের আয়োজন করেন তাতে আমাদের মোটা (ভোজর ইরি) চালের খিচুরী খাওয়ানো হয়। আর নেতাদের খায়ানো হয়েছে চিকন (মিনিকেট) চাল, গরুর মাংস ভূনা, কই মাছ ভূনা ও ইলিশ মাছ ভাজা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে শোক দিবসে এরকম খাওয়া-দাওয়া হয়কি না?।

রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ঢালী বলেন, আমরা সুন্দরভাবে শোক দিবসে ৪৫ ডেগ খাবার পরিবেশন করেছি। অতিথির জন্যতো একটু ভালো খাবার দিতেই হয়।

রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাভানা আক্তারের স্বামী মোক্তার হোসেন চৌকিদারকে বার বার ফোন করে যোগাযেগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে শোক দিবসের বক্তব্যে বলেন, হাবিব ঢালী ও নাভানা এমপি ও তার স্বামী মোক্তার চৌকিদার একত্রে এই ইউনিয়নে একস্থানে শোক দিবস পালন করলে ভালো হোত। আমরা দলের ভিতরে কোন বিভক্তি চাই না। আমরা চাই সকলে একত্রে থাকতে।

এসময় শোক দিবসে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তপাদার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন কোতোয়াল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার, জেলা আন্তঃ বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদার, জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মো. মহসিন মাদবর প্রমূখ।