🕓 সংবাদ শিরোনাম

প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এফডিসিতে নির্মিত হলো নান্দনিক মসজিদএকদিনে সাড়ে ৯ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ১২ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ২আমাদের যা আছে, তা দিয়েই সামনে এগিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রীএসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থের অভাবে উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত শুভ’রমহামারি এখনই শেষ হচ্ছে না, সৃষ্টি হতে পারে নতুন ভ্যারিয়েন্ট: টেড্রোসখাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২নৌকা থেকে লাফিয়ে পালালো পাচারকারী, বিপুল আইস-ইয়াবা উদ্ধারশাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ শিক্ষার্থীদেরমালয়েশিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে নাবিস্কো ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • আজ বুধবার, ৫ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

তাহিরপুরের চাঁনপুর সীমান্তে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চুনাপাথর পাচার : দেখার কেউ নেই


❏ সোমবার, আগস্ট ২২, ২০১৬ দেশের খবর, সিলেট

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের ২শত গজ সামনে অবস্থিত নয়াছড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ওপেন পাচার করা হচ্ছে চুনাপাথর। গত এক সপ্তাহে অবৈধভাবে ভারত থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকার চুনাপাথর পাচাঁরের অভিযোগ উঠেছে।

cuna-pathor

আজ সোমবার দুপুর ১২টা সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চোরাচালানীরা নয়াছড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারত শতাধিক লোক পাঠিয়ে হেমার, শাফল সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দিয়ে চুনাপাথর ভেঙ্গে এনে প্রথমে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মজুদ করে। পরে সেই চুনাপাথর ২০টি ট্রলি দিয়ে বিজিবি ক্যাম্পের সামনের রাস্তা দিয়ে পার্শ্ববর্তী লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত যাদুকাটা নদীর তীরে নিয়ে সংরক্ষণ করছে। এরপর ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে নদীপথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে। কিন্তু বিজিবি এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী জানান, চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের লাইনম্যান পরিচয়ধারী মাদক চোরাচালান মামলার জেলখাটা আসামী আবু বক্কর, লাল মিয়া, আবুল কালাম, আবুল কাসেম ও আলমগীর প্রতিট্রলি চুনাপাথর পাঁচারের জন্য বিজিবি ক্যাম্পের নামে ১৫০ টাকা চাঁদা নিয়ে ভারত থেকে ওপেন চুনাপাথর পাচার করছে। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নামে প্রতিফুট চুনাপাথর থেকে ৫ টাকা চাঁদা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর কোটিকোটি টাকার রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হলেও চাঁদাবাজরা ও চোরাচালানীরা হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। আর এই চোরাচালান দীর্ঘদিন যাবত চললেও দেখার কেউ নেই। অথচ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজ দূরে দুই দেশের লোকজন অবস্থান করার আইনগত নিয়ম থাকলেও এখানে তা মানছে কেউ। এই সীমান্তে আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ করার কেউ নেই।

এ ব্যাপারে বড়ছড়া শুল্কষ্টেশনের ব্যবসায়ী হোসেন আলী, তারা মিয়া, রজব আলী সহ আরো অনেকেই বলেন, লাইনম্যান (স্পাই) আবু বক্কর ও তার ছেলে আলমগীরের মাধ্যমে চাঁদা নিয়ে বিজিবি সদস্যরা দাড়িয়ে থেকে ভারত থেকে চুনাপাথর পাঁচারের সুযোগ দিচ্ছে। এখানে রক্ষক হয়েছে বক্ষক।

চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া দিয়ে চুনাপাথর পাচাঁরের ব্যাপারে চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার কবির বলেন, এ ব্যাপারে লেখালেখি না করে চুনাপাথর পাচাঁরকারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে আপনারা মিটমাট করে নিন। চাঁনপুর ক্যাম্পের সোর্স চোরাচালান মামলার জেলখাটা আসামী আবু বক্কর বলেন, আমাদের চাঁদাবাজি ও চোরাচালানের কথা পত্রিকায় লিখলে কিছুই হবেনা কারণ আমরা সবাইকে ম্যানেজ করেই এসব কাজ করছি।

সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসির উদ্দিন আমমেদ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, চাঁনপুর সীমান্ত দিয়ে চুনাপাথর চোরাচালানে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।