• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

গ্যালাক্সি নোট ৭ কে পিছে ফেলে এগিয়ে আইফোন ৬এস


❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ২৩, ২০১৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

news_picture_36013_iphone_6s_vs_note7_1


প্রযুক্তি ডেস্কঃ

এই মুহূর্তে প্রযুক্তির দুনিয়ার বিশেষজ্ঞদের আগ্রহ পড়ে রয়েছে স্যামসাংয়ের সর্বসাম্প্রতিক গ্যালাক্সি নোট ৭-এ। একে স্যামসাংয়ের তৈরি সেরা ফোন বলা হচ্ছে। অনেকে গোটা বিশ্বের ক্রেজ আইফোন ৬এস-এর চেয়েও একে সেরা বলে মনে করেন। কিন্তু পরীক্ষাম ছাড়া তো আর এসব কথা বলা যায় না। তাই বিশেষজ্ঞরা আইফোন বনাম স্যামসাংয়ের একটি পরীক্ষা নিয়ে ফেললেন।

গতির পরীক্ষার দিকে মনোযোগ ছিল বিশেষজ্ঞদের। মোট ১৪টি অ্যাপ ও একটি ভিডিও চালু করতে মোট ২ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময় ব্যয় করেছে গ্যালাক্সি নোট ৭। একই কাজে আইফোন ৬এস সময় ব্যয়ে বেশ পরিমিত। ফোনটি সময় নিয়েছে ১ মিনিট ২১ সেকেন্ড। এদিক থেকে অনেক এগিয়ে আইফোন। কারণ ফোনটি বের হয়েছে এক বছর আগে। অর্থাৎ এর প্রসেসর এক বছরের পুরনো। তা ছাড়া এর র‌্যাম ২ জিবি। কিন্তু নোট ৭ বের হয়েছে সবেমাত্র। এর চিপ বানানো হয়েছে মাত্র ৬ মাস আগে। এর র‌্যামও ৪ জিবি।

তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোর মধ্যে গ্যালাক্সি নোট ৭-কে সবার আগে রাখা যায়। অবশ্য সবচেয়ে দ্রুতগতির ফোন একে বলা যায় না। যদি আইওএস অপারেটিংয়ের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া হয়, তবে টেকে না অ্যান্ড্রয়েড। মূলত অ্যাপল তার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েডের হার্ডওয়্যার বহু অংশ বিভক্ত। তাই একই পারফরমেন্স দেখাতে খুব বেশি শক্তি দরকার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের।

তবে গতির এ পরীক্ষা বাস্তব দুনিয়ার সঙ্গে মেলে না। অর্থাৎ, কোনো ব্যবহারকারী এভাবে একের পর এক অ্যাপ খোলেন না। তা ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোবাইল ধীর হয়ে যায় গেমিংয়ের কারণে।

বিশেষজ্ঞরা আরো জানান, গতির এই পরীক্ষায় নোট ৭-এর স্প্লিট স্ক্রিন বা এস পেন-পাওয়ার্ড গ্লান্স ফিচারের ব্যবহার ঘটেনি। তবে মাল্টি-টাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে নোট ৭ বেশ পারদর্শী।

সত্যিকার গতির ক্ষেত্রে এবার বিশেষজ্ঞদের লক্ষ্য গুগলের আসন্ন নেক্সাস ফোনটিকে নিয়ে। আশা করা হচ্ছে, এটি গতির দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলবে।