• আজ সোমবার, ৩ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

গাজীপুরে চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে জখম: স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা আটক


❏ বুধবার, আগস্ট ২৪, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

রেজাউল সরকার (আঁধার), গাজীপুর প্রতিনিধি: জেলার কালীগঞ্জের বাহাদুরসাদী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদকে (৫২) কুপিয়ে জখমের ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় সোমবার দিবাগত গভীর রাতে চেয়ারম্যানের ভায়রা ভাই মো. জাফর আহমেদ চৌধূরী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নং ১৬) করেন।

banglanews24.comপরে ওই রাতেই মামলার দুই এজাহারভূক্ত আসামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বরুন (৩৫) এবং জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. মোজ্জামেল হককে (৪০) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ও ডিভি পুলিশ যৌথভাবে আটক করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে তাদের ওই মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত বরুন জামালপুর গ্রামের মৃত আরমান মাস্টারের ছেলে ও মোজাম্মেল মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট দুপুরে উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে বাহাদুরসাদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের বহিস্কৃত আহ্বায়ক রুবেল (৩৫), নির্মল পালের ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল (৩৬), মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে যুবলীগ নেতা জাকারিয়া (৩৫), ও জামালপুর গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে ইমরানসহ অজ্ঞাত আরো ১৪/১৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ইউপি চেয়ারম্যানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে চাইলে সুব্রত ও রুবেল কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে স্থানীয়রা ভয়ে কাছে আসতে পারেনি। পরে আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেটিক (পঙ্গু) হসপিটালে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাাধীন রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে আহত ইউপি চেয়ারম্যানের ভায়রা ভাই মো. জাফর আহমেদ চৌধূরী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় ১৫ জনের নামে একটি মামলা (নং ১৬) করেন। পরে ওই রাতেই কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ও গাজীপুর ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে আসাদুজ্জামান বরুন ও মো. মোজ্জামেল হককে আটক করেন। দুপুরে তাদের গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলম চাঁদ আটকের বিষয়টি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাকী আসামীদের আটকের ব্যাপারে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।