• আজ মঙ্গলবার, ৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

মীর কাসেমের রিভিউ শুনানি ফের রোববার


❏ বুধবার, আগস্ট ২৪, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীর রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) শুনানি শুরুর পর রোববার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত মুলতবি করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।kasem-220160606063857বুধবার সকালে কাসেমের আইনজীবীর সময়ের আবেদন নাকচ করে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ শুনানি শুরু করে।

প্রথমে আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন তার বক্তব‌্য উপস্থাপন শুরু করেন। এর পরপরই আদালত শুনানি রোববার পর্যন্ত মুলতবি করে দেয়।

আপিল বিভাগের এ বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বুধবারের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য মীর কাসেমের রিভিউ আবেদন ৫ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়।

এর আগে গত ২৫ জুলাই মীর কাসেমের রিভিউ আবেদন শুনানি পিছিয়ে ২৪ আগস্ট নির্ধারণ করেন আপিল বিভাগ। আদালতে মীর কাসেমের পক্ষে সময় আবেদনের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গত ১৯ জুন ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন দাখিল করেন মীর কাসেম আলী। মোট ৮৬ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ১৪টি যুক্তি দেখিয়ে ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চাওয়া হয়েছে।

গত ৬ জুন মীর কাসেমের ২৪৪ পৃষ্ঠার ফাঁসির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। নিয়মানুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান রায়ের কপিতে স্বাক্ষরের পর তা প্রকাশ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ছয়জনকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে গত ৮ মার্চ মীর কাসেমের ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আপিল বিভাগের সপ্তম রায় এটি। ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়।

২০১৪ সালের ২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।