🕓 সংবাদ শিরোনাম

লালমনিরহাটে নকল বিল ভাউচারে স্কুলের টাকা আত্মসাৎ * সাতক্ষীরায় দুধের পরিমাণ বাড়িয়ে বিক্রি, ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা * রবীন্দ্রকাছারি বাড়িই হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী * বিএনপি বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী * ফরিদপুরে হাজিরা দিতে এসে আদালত প্রাঙ্গণে আসামীর মৃত্যু * ধান উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার * লাখাইয়ে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন * ২৬ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি * ১০ টাকার টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী * রসিক নির্বাচনে বিএনপির পর এবার সরে দাঁড়াল জামায়াত *

  • আজ মঙ্গলবার, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৯ নভেম্বর, ২০২২ ৷

সৎকার, শ্রাদ্ধশান্তির পরে বাড়ি ফিরে এল ‘মৃত’ মেয়ে..!


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

news_picture_36080_mamphi1


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

নিখোঁজের পর দিঘার কিশোরী মাম্পি দোলইয়ের লাশ উদ্ধারের পর বাবা-মা জানান, এটি তাদেরই মেয়ে। এরপর সৎকারও করা হয়।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাতে ভিআইপি রোড সংলগ্ন কৈখালি থেকে নিখোঁজ মাম্পিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।

এই খবর এলাকায় চাউর হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।
যদিও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের দাবি, ‘দিঘায় উদ্ধার হওয়া তরুণী যে মাম্পি নয়, তা নিয়ে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার যদি তাকে শনাক্ত করে, আমাদের কিছু বলার নেই। তবে আমরা তদন্তে ইতি টানিনি। উদ্ধার করা হয়েছে মাম্পিকে। তাকে জীবিত অবস্থায় বাবা-মার হাতে তুলে দিতে পেরে ভাল লাগছে।’

বুধবার মাম্পিকে ঘাটাল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে মেদিনীপুর হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে, মাম্পিকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে টুম্পা এবং মাম্পির প্রেমিক বাচ্চু আলিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে দাসপুর থানার পুলিশ।

উল্লেখ্য, টুম্পা পাল এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন। আর বাকি তিন অভিযুক্তকে বিচারক ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, গত ৮ আগস্ট দাসপুরের ধানখাল থেকে মাম্পি দোলই নিখোঁজ হন। মাম্পিকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের অভিযোগ জানান তার বাবা সুনীল দোলই।

অভিযোগের তীর ছিল টুম্পা পাল নামে এক তরুণীর দিকে। ওইদিনই টুম্পাকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
ইতিমধ্যে গত শনিবার দিঘার ঝাউবন থেকে উদ্ধার হওয়া এক তরুণীর দেহ। দেহটি তার মেয়ের বলে দাবি করেন সুনীল বাবু। পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত হওয়ার পর দেহটি সৎকারও করে দেয়া হয়।

তবে তদন্ত চলছিলই। আর সেই সূত্র ধরেই পুলিশ টুম্পাকে জেরা করে জানতে পারে, মাম্পি নিজের ইচ্ছাতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী টুম্পা তাকে সাহায্য করেছিলেন।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, বাচ্চু আলী নামে এক যুবকের সঙ্গে মাম্পির সম্পর্ক ছিল। এর আগেও একবার মাম্পি বাচ্চুর সঙ্গে চলে গিয়েছিল। এ বারও মাম্পি বাড়ি ছাড়ার পর কৈখালিতে বাচ্চুর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাকে পৌঁছে দিয়েছিল বাচ্চুর বন্ধু পাপ্পু আলী।

মাম্পির বাবা সুনীল দোলই বুধবার দাসপুর থানায় দাঁড়িয়ে বলেন, ‘মেয়ের বুকে কালো দাগ ছিল। শরীরের ডান দিক একটু নিচু এবং বাম দিক অল্প উঁচু। তবে মুখ চেনা যায়নি। এই সব চিহ্ন দেখেই আমরা শনাক্ত করি। এত বড় ভুল হবে, ভাবতে পারিনি। আরও ভাল ভাবে দেখেই দাবি করা উচিত ছিল।’

একই সুর মা রেখা দেবীর গলাতেও। সঙ্গে কিছুটা স্বস্তিও। তার কথায়, ‘মেয়েটাকে যে এভাবে ফিরে পাব ভাবতেও পারিনি।