সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসায় দেশীয় খামারীগন দুঃচিন্তায়

⏱ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৬ 📁 দেশের খবর, রাজশাহী

নয়ন বাবু, সাপাহার প্রতিনিধি: ঈদকে সামনে রেখে নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে অসংখ্য গরু আসায় এলাকার দেশীয় গরুর খামারীগন তাদের খামারে পোষা গরু নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছে।

varotio-goru

সীমান্তে গরু পাচারকারীদের কলহ ও বিএসএফ’র আগ্রাসনে দীর্ঘ দিন ধরে সাপাহার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হয়ে ছিল। বর্তমানে ঈদকে সামনে রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক শ্রেণীর চোরাকারবারী আবারো গরু আনতে মরিয়ে হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এখনো উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দাফায় দাফায় গরু আসতে শুরু করেছে। গত কয়েকদিন ধরে রাতে উপজেলা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু দেশে প্রবেশ করেছে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার আদাতলা সীমান্তে গিয়ে বিজিবি ক্যাম্পের অদুরে অঘোষিত বিট বা খাটালে সরকারী বিট বা ভ্যাট/টেক্সের কাগজের জন্য ৭০টি ভারতীয় গরু মালিক সহ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অপর দিকে হঠাৎ করে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করায় এলাকার গরু চাষী খামারীগন তাদের গরু নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছে। ভারতীয় গরু প্রবেশ করায় খামারীদের পোষা গরুতে লাভের তুলনায় লোকশান গুনতে হবে বলে একাধিক খামারী জানিয়েছেন।

দীর্ঘ দিন ধরে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ থাকায় কোরবানীর ঈদে অধিক লাভের জন্য তারা একাধিক গরু মোটাতাজা করেছিল। বর্তমানে যে সময়ে তারা তাদের পোষা গরুগুলি বাজারে তুলবেন ঠিত তখনই এক শ্রেণীর চোরাকারবারী ভারত থেকে গরু আনতে শুরু করেছে। আদাতলা সীমান্তে নাম প্রকাশে এক গরু ব্যবাসায়ী জানান, পাচার হয়ে আসা গরুগুলির করিডোর নিয়ে এক শ্রেণীর দালাল সরকারী ট্যাক্সের তিন চার গুন টাকা আদায় করে ব্যবসায়ীদের বেকায়দায় ফেলছে বলেও অনেকে জানিয়েছেন।

প্রতিটি গরুর মালিককে বিজিবির টোকেন সংগ্রহ করে করিডোরের কাগজ করার নিয়ম থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে মধ্য সত্বভোগী একটি গ্রুপ ব্যবসায়ীদের জিম্মি  করে বিজিবির টোকেন সংগ্রহ করে করিডোর হতে কাগজ সংগ্রহ করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে।

এ বিষয়ে আদাতলা ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যাটালিয়ান মিটিং এ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। ১৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ান অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আলী রেজার সাথে ফোনে কথা বলাল চেষ্টা করলে বার বার ফোন করে তাকে পাওয়া না যাওয়ায় তার সাথে কথা বলা যায়নি।