কলাপাড়ায় ভেড়িবাঁধ নির্মানে নতুন দৃস্টান্ত স্থাপন করলো ভূক্তোভোগী জনগন

❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৬ দেশের খবর, বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ভেড়িবাঁধ নির্মানে এক নতুন দৃস্টান্ত স্থাপন করলো ভূক্তোভোগী জনগন। বাঁধ নির্মানে জমি অধিগ্রহনের টাকা বরাদ্ধ না থাকায় ক্ষতিগ্রস্থরা চাঁদা তুলে জমির মালিকদের টাকা পরিশোধ করে। এর ফলে কেটে গেছে বাঁধ নির্মানের অনিশ্চয়তা আর চম্পাপুর ও ধানখালী ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের দূর্ভোগ। তেমনি আমান চাষের অনিশ্চয়তাও কেটে গেল দশ হাজার একর জমির।

matikata

অব্যহত ভাঙ্গনে ও উচ্চ জোয়ারের পানিতে কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুর ভেড়িবাঁধ রামনাবাদ নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ড বিধ্বস্ত ২৭০০ ফুট বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা নেয়। বাঁধ নির্মানের জন্য সরকারের রাজস্ব খাত থেকে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্ধও পায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহি প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, বাঁধ নির্মানের জন্য প্রায় ১৬ বিঘা জমি অধিগ্রহনের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের জন্য কোন অর্থ বরাদ্ধ ছিল না। ফলে বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা। তবে গ্রামবাসী উদ্যোগ নেয়ায় বাঁধ নির্মান সহজতর হল। সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয় স্থানীয়রা। নিজেদের বাড়িঘর ও ফসলী জমি রক্ষায় চাঁদা তুলে জামির মূল্য বাবাদ প্রায় আট লাখ টাকা পরিশোধ করেন গ্রামের মানুষ। তবে জমির মালিকদের পরিশোধ করা এই টাকাকে ক্ষতিপূরন বলতে রাজি নন উদ্দোক্তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ভূক্তোভোগীদের উদ্যোগে বাঁধ নির্মানের ফলে মানবেতর জীবন যাপন থেকে রক্ষা পেল দুটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ। ফসলহীনতা থেকে রক্ষা পেল প্রায় ১০ হাজার একর জমির আমন আবাদের অনিশ্চয়তা।