🕓 সংবাদ শিরোনাম

একটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুলআগুন নিয়ে খেলবেন না: নেতানিয়াহুকে হামাসপ্রধানইসরাইলের চেলসিকে হারিয়ে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন ‘বাংলাদেশের’হামজাপ্রবল বেগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টিকটিকি’রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা নিহতশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ললকডাউন বাড়ানোর অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

দিনাজপুরে ভুয়া সনদে মাদ্রাসা শিক্ষকের ১৬ বছর চাকুরী


❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর চিরিরবন্দরে ভুয়া সনদ প্রদর্শন করে ১৬ বছর চাকুরী করার অভিযোগে আমিনুল ইসলাম নামের এক কৃষি শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

cakri

জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিন সুকদেবপুর দারুন নাজাত দাখিল মাদ্রাসার ৬৯২৭১৬ নং ইনডেক্সধারী সহকারী শিক্ষক (কৃষি) আমিনুল ইসলাম ২০০০ইং সালে বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন বি,এগ,এড এর ভূয়া সনদ প্রদর্শন করে চাকুরীতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৩ইং সালের মে মাসের এমপিওতে একসঙ্গে ২০০২ সালের জানুয়ারী মাস হতে এরিয়া বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন। সুত্র মতে মাদরাসার বর্তমান সভাপতি সেরাজ উদ্দীন প্রামানিক ২০১৪ সালে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্নভাবে অবগত হন যে, কৃষি শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বি,এগ,এড এর ভুয়া সনদ দিয়ে ২০০০ সাল হতে চাকুরী করে আসছে।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনি (সভাপতি) বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর লিখিত আবেদন করলে ২০১৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ আব্দুল কাইয়ুম স্বাক্ষরিত ওই শিক্ষার্থীর সনদ যাচাই কল্পে সভাপতি বরাবরে পত্র প্রেরণ করে। কিন্তু শিক্ষক আমিনুল সভাপতিকে কোনরুপ সহযোগিতা না করে কালক্ষেপন করতে থাকে। পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পর্যন্ত গড়ায়। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি তদন্তের জন্য দিন নির্ধারন পুর্বক পরপর তিনটি নোটিশ প্রদান করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় গত বছরের ২৮ অক্টোবর তিনি সভাপতি বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের আলোকে গত ১৭ জুলাই মাদ্রাসা কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় কৃষি শিক্ষক আমিনুলকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহীত হলে ১৮ জুলাই মাদ্রাসা সুপার স্বাক্ষরিত সাময়িক বরখাস্ত্রপত্র প্রেরণ করেন।

চিরিরবন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল হক জানান, মাদ্রাসার সভাপতির অভিযোগের দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাইয়ে পাওয়া যায় যে, অভিযুক্ত শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বি,এগ,এড পাশের দু’ধরনের সনদপত্র দেখে প্রতীয়মান হয় যে সনদপত্র দু’টিই ভুয়া। মাদ্রাসা সুপার ময়েন উদ্দীন শাহ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করলেও শিক্ষক আমিনুলের ব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে শিক্ষক আমিনুলের সাথে কথা হলে তিনি বিএনপি করেন বলে তার উপর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবী করেন।