সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

`বিএনপি ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার সময় দেশকে খাদ্য ঘাটতিতে ফেলে গেছে’

১:২৮ অপরাহ্ন | শনিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর: খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন `২০০৬ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার সময় দেশকে খাদ্য ঘাটতিতে ফেলে গেছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে সে ঘাটতি পূরণ করেছে। এখন বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা এখন চাল রপ্তানি করছি। বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে।’minister-kamrul

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা খাদ্য গুদামের সামনে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ শীর্ষক খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “১০ টাকা কেজি চাল কর্মসূচিতে সরকার ২২০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। এটা আসলে ভর্তুকি নয় ইনসেনটিভ। এটা গরিবদের প্রাপ্য। যারা বাংলাদেশকে তলাবিহিন ঝুড়ি বলতো। তারাই এখন বলে দেশ উপচেপড়া ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “নেপালের ভূমিকম্পের পর আমারা দুই বারে ২০ হাজার মেট্রিকটন চাল দিয়ে সহায়তা করেছি। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় সাড়া দেশে ৫৫ লাখ পরিবারকে মাসে ৩০ কেজি করে পাঁচ মাস চাল দেওয়া হবে। বছরের সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এবং মার্চ, এপ্রিল- এই পাঁচ মাস চাল বিতরণ করা হবে। চাল বিতরণে জিরো টলারেন্স রাখা হবে। কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না।”

অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বদরুল হাসান, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাউসার আহমেদ, ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক এ কে এম ফযলুর রহমান এবং উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক আব্দুর রহমান খান।