সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ধামরাইয়ের কোরবানির পশুর হাট

৬:২৮ অপরাহ্ন | শনিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৬ অর্থনীতি

আনোয়ার হোসেন রানা, স্টাফ রিপোর্টার: আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদুল আযহা। আর এ ঈদকে সামনে রেখে আশুলিয়া, সাভার ও ধামরাই উপজেলায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবার পশুর হাটে গরু, ছাগলের আমদানি ও রয়েছে চোখে পড়ার মতো। তবে সব সংঙ্কা কাটিয়ে এবারে দেশি গরুতে বাজার সয়লাব। ক্রেতাদের হাটে উপচে পড়া ভীর থাকলেও সেই পরিমাণ পশু কিন্তু বিক্রি হচ্ছে না, কারণ হিসেবে জানা যায় ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে হাট ও দর যাচাই করছে। সুবিধা মনে হলেই কেবল মাত্র কিনছেন।

এ বছর ভারতীয় গরু বন্ধের কারণে পশুর দাম আগের বছর গুলো থেকে বেশ চরা এমনটাই বলছেন ক্রেতারা । বরাবরের মতো এবারো কোরবানির পশুর হাটগুলোতে দালালচক্র উপদ্রব অনেক ফলে প্রতারিত হচ্ছে অনেক সাধারণ ক্রেতারা। ক্রেতা বিক্রেতার নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ দালালতের টহল। জাল টাকার উপদ্রব ঠেকাতে বড় হাটগুলোতে কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের সহযোগিতায় জাল টাকা যাচাইয়ের মেশিনও বসানো হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে সরগরম হয়ে ওঠে পশুর হাট। এ বছর উপজেলা প্রশাসন ৬টি হাটের মধ্যে ৫টি হাট ইজারা দিয়েছে।

হাটগুলো হলো- ভালুম কালামপুর বাজার, বাথুলী বাসস্ট্যান্ড, বালিয়া বাজার, ঘুমগ্রাম বাজার, বাস্তা নদীরঘাট। হাটগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, দেশি গরুর চাহিদা বরাবরের মতোই বেশি। খামারিদের গরুতেই হাট জমজমাট। ঐতিহ্যবাহী ভালুম আতাউর রহমান কলেজ মাঠে দেশি-বিদেশি লাল, গরু, মহিষ, ছাগলে পরিপূর্ণ মাঠ। বাজারে তিলধারণের জায়গা নেই। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই হাটে কেনাবেচা। তবে বাজারে দেশি বিদেীশ পশু আমদানি বেশি হলেও দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি থাকায় মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে, বাজারে দালালচক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গরু বিক্রেতাদের সঙ্গে রয়েছে তাদের যোগসাজশ। ক্রেতারা গরুর দামদর করলে ওই দালালরা এসে ক্রেতার বেশে দাম বাড়িয়ে দেয়। তাদের খপ্পরে পড়ে পাঁচ-সাত হাজার টাকা বেশি দিয়ে গরু কিনতে হচ্ছে বলে অনেক ক্রেতা অভিযোগ করেন। ক্রেতারা বলছেন, যেহেতু আরো দু-চারদিন সময় আছে তাই দেখেশুনে পশু ক্রয় করতে চান তারা। ক্রেতারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী গরু কিনছেন। এবার অধিকাংশ হাটে ভারতীয় গরু আমদানি না থাকায় চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে দেশি গরু। গরু সর্বোচ্চ ২ লাখ থেকে সর্বনিম্ন ৪০ হাজার টাকা দরে এবং সর্বোচ্চ ২৯ হাজার থেকে সর্বনিম্ন ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খাসি বিক্রি হচ্ছে।

উত্তর বঙ্গ থেকে আসা মো. আলম বেপারী বলেন, আমি কালামপুর হাটে বড় মাঝারি সাইজের ৩৫টি গরু নিয়ে এসেছি, আজ এখন পর্যন্ত ১২ টা গরু ভালো দামেই বিক্রি হয়েছে।

goru-dhamrai

রাজবাড়ী থেকে আসা শামীম নামে গরু বেপারী বলেন, আমি হাটে ১২টি গরু এনেছি ৩টা গরু বিক্রি হয়েছে। বাজারে পশুর দাম বেশি থাকায় বিক্রিও অনেকাংশে কম হয়েছে বলে একাধিক ব্যবসায়ী জানান। ফলে আমদানিকৃত পশুগুলো পুনরায় ফিরিয়ে নিতে দেখা গেছে।

কালামপুর গরু ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন বলেন, ১২টি গরু ধামরাইয়ে এনেছি। ইতিমধ্যে তিনটি গরু বিক্রি হয়েছে। যেহেতু আরো তিনটি বাজার রয়েছে শেষ মুহূর্তে ঈদ বাজার আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।

কেলিয়া গ্রামের সোহাগ বলেন, ৪৬ হাজার টাকায় একটি গরু কিনেছি। গত বছর থেকে এবার দাম বেশ বেশি দিয়েই কিনতে হচ্ছে। বাজারের ইজারাদার জানান, হাটের ইজারার মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খরচ দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে নিয়ম মাফিকভাবেই এ বাজারে ছাড় আদায় করা হচ্ছে বলে ইজারাদার মো. সালেহ ইসলাম বিপ্লব বলেন, কালামপুর গরুর হাটে বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু আসে। ইজারাদাররা হাজারে ৫০ টাকা করে হাসিল নেন।