তাড়াশে বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসানের মুখে পড়েছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা

১২:৩৪ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৬ অর্থনীতি

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

প্রতিযোগিতা করে চামড়া কিনে লোকসানের মুখে পড়েছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা মাঠপর্যায়ে যেভাবে চামড়া কিনেছেন পাইকাররা সেভাবে না কেনায় এ বছর লোকসান গুনতে হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের। তারা চামড়া প্রতি যে মূল্য দিয়েছে তাতে মূলধন হারানোর সঙ্গে চামড়া সংগ্রহের পারিশ্রমীকও হারাতে হয়েছে।

স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার থেকে ফুট হিসেবে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হলেও সিরাজগঞ্জের প্রতিটি উপজেলার মত তাড়াশে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা প্রতিটি পশুর সাইজের উপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ ২ হাজার থেকে ২হাজার পাচঁ শত টাকা এবং সর্বনিম্ন ৬০০ টাকায় চামড়া কিনেছেন। ওই চামড়া যখন পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে গেছেন। তখন ফুটের হিসেবে তাদেরকে লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মাপ ছাড়াই দর-কষাকষি করে চামড়া কিনেছেন পাইকাররা। এতে করে লোকসান গুনতে হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের।

taras-chamra

তাড়াশ বাজারের ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ইসাহাক আলী হক বলেন, এবার চামড়া কিনে লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে অনেকেরই। যে দামে কিনেছেন সে দামও পাইকাররা তাদের নিকট হতে ক্রয় করেন নি।

কারণ হিসেবে তিনি আরো বলেন, সাধারণত মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা বছরে ঈদ উপলক্ষে চামড়া ক্রয় করে থাকে। তাই তাদের পুর্বের কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় প্রতিযোগীতা করে চড়া দামে পশুর চামড়া ক্রয় করেন। পরে পাইকাররা তাদের মাপ অনুযায়ী কিনতে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের চড়া মুল্যে কেনার কারণে সঠিক মুল্য পান না। ফলে এ বছর লোকসানের মুখে পড়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।

এ ছাড়া চামড়া ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১০-১৫ টাকা বেশিতে চামড়া কেনা হয়েছে। তৃণমূলের ব্যবসায়ীরা মাপ না বোঝার করণে দর-কষাকষিতে কিনতে বাধ্য হয়েছেন। তাছাড়া লবণ ও শ্রমিকের মজুরী পাওয়ায় সে অনুযায়ী চামড়ার মূল্য নির্ধারণ না করায় লাভের অংশ তেমন একটা ঘরে আসবে না বলে।