🕓 সংবাদ শিরোনাম

আমিরাতের সর্বোচ্চ পর্বত জেবেল জাইসহিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে ফিরতে পারবেন ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিরানাম্বার ব্লাকলিষ্টে দেওয়ায় যুবকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান!সৌদিআরবকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে আশাবাদী’দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছেএকটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুলআগুন নিয়ে খেলবেন না: নেতানিয়াহুকে হামাসপ্রধানইসরাইলের চেলসিকে হারিয়ে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন ‘বাংলাদেশের’হামজা

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ও নেপালের রেল যোগাযোগ


❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ আলোচিত বাংলাদেশ

শাহ্ আলম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর- চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দিয়ে চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ও নেপালের মধ্যে রেল যোগাযোগ। দুই বাংলার মধ্যে যোগাযোগের আরও একটি পথ খুলছে এই পথে। আর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর দিয়ে। শুধু দুই বাংলা নয়, এই রেল ক্রমেই বাংলাদেশ-ভারত ও নেপালের মধ্যে যোগাযোগ সৃষ্টি করবে।

train-india-sm20160915152758রেল সূত্রে জানা যায়, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ওই পথ দিয়ে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বিরল স্টেশন পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে। ইতোমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে ভারতের অংশে রেল চালানো হয়েছে। এই রেলপথ চালু হলে পণ্য পরিবহন ক্ষেত্রে আরেকটি মাইলস্টোন স্থাপন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সার্ক চুক্তি অনুযায়ী এই প্রকল্পটি চালু করা হবে। এই রেলপথ দুই দেশের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ফলে খুব সহজে লবণ, পেঁয়াজ, আদা, সাইকেলের যন্ত্রাংশসহ বিভ্ন্নি পণ্য বাংলাদেশে আসবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য ভারতে পরিবহন করা যাবে।

রেল অফিস জানায়, এই রেলপথটি সম্প্রসারিত করে নেপালের যোগবানী পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে তিন দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ ঘটবে। আর নেপালে রেলের অবকাঠামো তৈরিতে সাহায্য করবে ভারতীয় রেল।

২০০৫ সালের ১ এপ্রিল পর্যন্ত এই পথে ট্রেন চলছিল। পরে রেলপথটি বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতার আগে এই পথ দিয়ে বাংলাদেশের পার্বতীপুর জংশনে গিয়ে দার্জিলিং হয়ে কলকাতায় যেতে পারতেন যাত্রীরা। পণ্যবাহী ট্রেনের এই পরিসেবা চালু হওয়ার সম্ভাবনায় খুশি এলাকার সাধারণ মানুষ।