ফুলবাড়ীতে শ্রেণিকক্ষ উন্নয়ন বরাদ্দ স্লিপের ৪০ হাজার টাকা,কাজ না করায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পকেট ভারীর অভিযোগ উঠেছে

⏱ | শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ 📁 দেশের খবর, রংপুর

55অনীল চন্দ্র রায়,ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের নব্য জাতীয়করণ খন্ডকার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন মিয়ার বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ উন্নয়নের বরাদ্দের (স্লিপের) ৪০ হাজার ও এলজিডি অফিসের তক্তাবর্ধনের লেট্রিন সংস্কারের ৫ হাজার টাকার উত্তোলন করার পরেও বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য কোন কাজ না করে নিজের পকেট ভারী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটিসহ এলাকাবাসীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রা দেখা দিয়েছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় শুধু মাত্র পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের রুম কোনরকমে চুন দিয়ে কালার একটি পতাকার পাইপ কিনেছে মাত্র । বাকী সব টাকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন মিয়ার পকেটে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাফিজুল হক খন্ডকার অভিযোগ করে কলেন,আমি ১৮ মাস ডিপিএড(ট্রেইনিং)করে গত ১ লা জুলাই বিদ্যালয়ে যোগদান করি।

দেড়মাস হয়ে গেল তিনি আমাকে প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব বুঝে দেয়নি। তিনি আরো অবিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ উন্নয়নের বরাদ্দের (স্লিপের) ৪০হাজার ও এলজিডির তক্তাবর্ধনের লেট্রিন সংস্কারের ৫ হাজার টাকা উত্তোলন করে । তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য কোন কাজ না করে সম্পূন্ন টাকা নিজের পকেটে ভারী করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, খন্ডকার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন মিয়া স্লিপের ৪০ হাজার টাকা এলজিডির অফিসের তক্তাবর্ধনের লেট্রিন সংস্কারের ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন পর্যন্ত কাজ করেনি । বিদ্যালয়ে কোন কাজ না করায় তাকে ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে এবং বেধে দেওয়া সময়ে কাজ না করলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে খন্ডকার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি রেহেনা বেগম জানান,ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন মিয়া আমার স্বাক্ষর জাল করে স্লিপের ৪০ হাজার ও এলজিডির তক্তাবর্ধনের লেট্রিন সংস্কারের ৫ হাজার টাকা তুলে একটি পতাকা ও ক্লাস রুম চুন দিয়ে কালার করেছে মাত্র ৫-৭ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা তিনি আত্মসাত করেছে। আমি বিষয়টি শিক্ষা অফিসে জানিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি তার ফোন কলটি রিসিভ করেনি।

উপজেলা প্রকৌশলী সামসুল আরেফিন খাঁনের সাথে মোবাইলে বিকাল তিনটা পনের মিনিটে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনটি ব্যবস্ত থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।