🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

আল্লাহর অসীম কুদরত জমজম কূপের পানি পানের বরকত


❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬ ইসলাম

ইসলাম ডেস্ক- জমজমের পানি অনেক বরকতময়। এ পানি পানে আল্লাহ তাআলা পানকারীকে শারীরিক অসুস্থতা থেকে হিফাজত করেন। দুনিয়ায় সকল খাবার খাওয়া ও পানীয় পান করার সময় তা বসে খেতে হয়। শুধু ব্যতিক্রম জমজমের পানি পান করায়। এ বরকতময় পানি পান করার সময় দাঁড়িয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে পান করতে হয়। জমজমের পানি পানের বরকত তুলে ধরা হলো-

zamzam-wellজমজমের পানির বরকতে আল্লাহ তাআলা পানকারীর মনের সকল চাওয়া পূরণ করে দেন। হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (মুনসাদে আহমদ)

জমজমের পানি মানুষের ক্ষুধা নিবারণকারী এবং অসুস্থ ব্যক্তির জন্য শেফা। হাদিসে এসেছে, হজরত আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ঔষধ।’ (তাবারানি, বাযযার)

বিশ্বনবি সবসময় জমজমের পানি সঙ্গে রাখতেন যার প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার হাদিসে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের সাথে পাত্রে এবং মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তা অসুস্থদের ওপর ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন। (তিরমিজি, তারিখুল কবির, বাইহাকি)

এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে এ পানিকে শ্রেষ্ঠ পানি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমিনের ওপর সর্বোত্তম পানি হলো জমজমের পানি। (তাবারানি কাবির, ইবনে হিব্বান)

মুসলিম উম্মাহর সকল হজ পালনকারীদেরকে যথাযথ সম্মান ও আদবের সঙ্গে জমজমের পানি পান করার তাওফিক দান করুন। জমজমের পানি পানকারী সকলকে বরকত, সুস্থতাসহ সকল উপকারিতা দান করুন। হজের অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথ আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমিন।