🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’ভারতকে আরও ৪ ট্রাক করোনার ওষুধ পাঠালো বাংলাদেশরোজিনা ইসলামের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরার শামিল: টিআইবিসাংবাদিক রোজিনা কারাগারেদুর্নীতি তুলে ধরাই কাল হয়েছে রোজিনার: মির্জা ফখরুলস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ব্রিফিংও বয়কটচট্টগ্রামে আরও ৭০ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৫কারাগারে বাড়তি নিরাপত্তায় বাবুল আক্তারসাংবাদিক রোজিনাকে হয়রানি ও হেনস্থার প্রতিবাদে রাঙামাটি প্রেসক্লাবের মানববন্ধনসাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নির্যাতনের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

৭ বছরের শিশুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক 'পাষণ্ডী' মা !


❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬ Breaking News, অপরাধ, আলোচিত, স্পট লাইট

রাজশাহী প্রতিনিধি-

রাজশাহীতে শাহরিয়ার আলম কাব্য (০৭) নামে এক শিশুকে ঘুম থেকে তুলে কুপিয়ে হত্যা করেছেন তারই জন্মদাত্রী মা। পরে শিশুটিকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন মা। ঘাতক  মা তাসলিমা  মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন  বলে  জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কাব্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল মডেল স্কুলের শিশু শ্রেণির ছাত্র ছিল।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর নতুন বুধপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক মা তাসলিমা বেগমকে আটক করা হয়েছে।

 mother-killed-her-son

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কাব্যের বাবা রফিকুল ইসলাম মেহেরচণ্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এ ছাড়া তার একটি ওষুধের দোকান আছে। ঈদের ছুটিতে কাব্য নগরীর সাধুর মোড় এলাকায় তার নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যায় কাব্যের বাবা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। ছেলেকে বাড়িতে রেখে তিনি ওষুধের দোকানে যান।

রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় দরজার ফাঁক দিয়ে দেখেন কাব্য রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পাশে তসলিমাও অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে।

 

পরে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে কাব্যের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে মতিহার থানার ওসি হুমায়ুন কবির  জানান, রাতে ঘুম থেকে তুলে ছেলে কাব্যকে কুপিয়ে হত্যা করে মা তাসলিমা বেগম। এরপর তাসলিমা নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তিনি আরও জানান, ঐ মহিলা সত্যিই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন নাকি এর পেছনে অন্যকোন ঘটনা আছে তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

এদিকে এ ঘটনার পরে মা তসলিমা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আর ছেলে কাব্যের মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ওসি।