হামলার নেপথ্যে কারা? আজ সকাল পর্যন্ত তা স্পষ্ট না হলেও, সিরিয়ার যুদ্ধবিরতি ফুরিয়েছে রবিবার মাঝরাতেই। সিরীয় সেনা অবশ্য চুক্তির শুরুতেই জানিয়েছিল, এর মেয়াদ সাত দিনের বেশি নয়। আজ দিনের শুরুতে যেন তাতেই সুর মেলাল বিরোধীরা। চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ওয়াশিংটন-মস্কো। বিশেষ সাড় নেই দামাস্কাসেরও। যার অর্থ একটাই, সিরিয়ার ফের সিঁদুরে মেঘ দেখছে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকমহল। গত পাঁচ বছরের গৃহযুদ্ধের জেরে যে দেশে প্রাণ গিয়েছে অন্তত ৩ লক্ষের।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও মার্কিন বিমান হামলার কারণে সিরিয়ার শান্তিচুক্তি যে প্রশ্নের মুখে পড়তে চলেছে, গত কালই তা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল রাশিয়া। রবিবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। যার দায় অবশ্য শুধু আমেরিকার উপরই বর্তায় না। যুদ্ধবিরতির সপ্তাহেই সিরীয় সেনা ২৫৪টি হামলা চালিয়েছে বলে আজ অভিযোগ জানিয়েছে বিদ্রোহীরা। পাল্টা তোপ দেগেছে দামাস্কাসও। শুধু রবিবারই বিদ্রোহীরা অন্তত ৩২টি হামলা চালিয়েছে বলে দাবি সেনার। সরকারি তরফে সংশ্লিষ্ট রফা কমিটির হয়ে জর্জ সাবরা জানান, চুক্তি ভেঙেছে সব পক্ষই। তাঁর কথায়, ‘‘শান্তিচুক্তি সই করার সময় ভাবা হয়েছিল, এ বার হয়তো দেশের যুদ্ধবিধ্বস্ত অংশে ত্রাণ গিয়ে পৌঁছবে। সেটাও হলো না।’’