🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহজনক ৪ জনের নামে মামলা


❏ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

ফয়সাল শামীম, নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম- কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নের বাইটকামারী গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটনায় এখনো কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

22612এ ঘটনায় নিহত স্ত্রী শিল্পী খাতুনের পিতা আব্দুস ছাত্তার বাদী হয়ে রৌমারী থানায় সন্দেহজনক ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। সন্দেহজনক আসামীরা হলেন একই গ্রামের মাজম আলী (২৮), শামছুল হক (২৭), আব্দুল আউয়াল (২৯) ও সানোয়ার হোসেন (২৬)।

মামলার বাদী নিহত শিল্পী খাতুনের পিতা আব্দুস ছাত্তার জানান, ঘটনার পুর্বে একই গ্রামের যারা বিভিন্ন ভাবে আমার মেয়ে উত্ত্যোক্ত করতে সন্দেহজনক ভাবে মামলায় তাদের নাম উল্লেখ করেছি।

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার তবারক উল্ল্যাহ্ জানান, ঘটনাটির মটিভ উদঘাটনের জন্য পুলিশ পরিবারের লোকজনসহ পাশ্ববর্তী লোকজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসা বাদ করেছে। এতে মনে হয়েছে স্বামী-স্ত্রীর কলহের কারনে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। যেহেতু মামলা হয়েছে, আমরা মামলা অনুযায়ী আসামী ধরার চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য গত সোমবার সকালে ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় স্বামী গোলাম হোসেন(৩৫) এর ঝুলন্ত ও স্ত্রী শিল্পী খাতুন(২৭) এর মেঝেতে পড়ে থাকা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৭টায় গোলাম হোসেনের মা বাহাতন ছেলে ও বউয়ের ঘুম থেকে উঠতে দেরী হওয়ায় ডাকাডাকি করতে থাকে। তাদের কোন সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ছেলেকে ঝুলন্ত ও ছেলের বউকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। তার চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাদেরকে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে রৌমারী থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম সাজেদুল ইসলাম জানান, গোলাম হোসেনের মাথায় বটির কোপের দাগ রয়েছে। আর স্ত্রী শিল্পী খাতুনের গলায় আঘাতের চিহ্ন ও জিহবা বের হওয়া অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পাওয়া গেছে।

নিহতের পারিবারিক সুত্র জানা গেছে ১৩ বছর আগে রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নের হামিদপুর টাপুরচর গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে শিল্পী খাতুনের সাতে বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের বাইটকামারী গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে গোলাম হোসেনের।