🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত বিপদজনক ভবিষ্যতের পূর্ভাবাস’কুতুপালং শিবিরে রোহিঙ্গা নেতার বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধারহাজারো যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি শাহপরাণ, ঘাট ম্যানেজারের অস্বীকার‘একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়?’কক্সবাজারে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতারঝালকাঠির কলেজ ছাত্রী সুমাইয়া হত্যার বিচার দেখে মরতে চায় বাবা!সৌদিতে বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসীদের করোনা ভেকসিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছেকরোনায় বেসামাল ভারত, একদিনে আরও ৪০৯২ জনের মৃত্যুচীনা রকেটের সেই ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লো মালদ্বীপের কাছেঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে চলছে দূরপাল্লার বাস

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, বিকাল ৪:০৮

শরীয়তপুরে এ কেমন পৈশাচিকতা ? ২১ মাস বয়সী এক কন্যা শিশু ধর্ষিত

❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

sa


শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হয়েও নিকৃষ্ট পশুর মতো আচরণ করা হয়েছে ২১ মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর সাথে। রবিবার বিকালে দুধের শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পৈশাচিক এ ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার ইউনিয়নের হালইসার সবুজবাগ গ্রামে।

শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে শিশুটির মা (মুন্নী বেগম) শিশুটিকে প্রতিবেশী আজিজুল বেপারীর ছেলে জাকির বেপারীর কোলে দিয়ে ঘরের বাইরে কাজে যান। এই সুযোগে জাকির শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির কান্নার শব্দ পেয়ে শিশুটির মা ছুটে আসলে জাকির পালিয়ে যায়। এ সময় তিনি মেয়ের পায়ে রক্ত দেখতে পান। বিষয়টি তিনি সাথে সাথে জাকিরের পরিবারকে জানালে তারা বিষয়টি আর কাউকে না জানানোর জন্য অনুরোধ করেন এবং শিশুটিকে নিয়ে স্থানীয় সেলিম ডাক্তারের কাছে ছুটে যান। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শিশুটির দরিদ্র পিতা ঢাকা না নিয়ে সোমবার বিকালে শিশুটিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু শিশুটির প্রসাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুটিকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হয়।

শিশুটির দরিদ্র পিতা (সাদেক খান) বলেন, আমার অবুঝ বাচ্চার সাথে জাকির কিভাবে এ কাজ করলো বুঝতে পারছিনা। জাকিরের বাবা এ জন্য মাফ চেয়েছেন এবং চিকিৎসার সমস্ত খরচ দেবেন বলেছেন। আগে আমার মেয়ে সুস্থ হোক, তারপর দেখবো কি করা যায়।

অভিযুক্ত জাকিরের বাবা আজিজুল বেপারী বলেন, আমি ঢাকায় কারখানায় কাজ করি। খবর পাওয়ার সাথে সাথে দেশে এসে মেয়েটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। ছেলেটি ঘটনার পর থেকে আর বাড়িতে আসেনি। সমাজের দশ জন মিলে ওর যে বিচার করবে আমি মেনে নিবো।

এ ব্যাপারে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিব শংকর বলেন, শিশুটিকে ভর্তি করার সময় তার যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ একরাম আলী মিয়া বলেন, আমি ব্যাপারটি জানি না। এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ নিয়ে কেই থানায় আসেনি। আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।