কুড়িগ্রামে বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় মাদকদ্রব্য আটক

৫:৪৯ অপরাহ্ন | বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

ফয়সাল শামীম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি কর্তৃক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ফেন্সিডিল আটক করেছে। অনন্তপুর বিওপির নায়েক মোঃ আব্দুল লতিফ হোসেন এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করে।

sono

টহল দলটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক পাচার প্রতিরোধ অভিযানের উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে আর্ন্তজাতিক পিলার নং ৯৪৮ এর ১ এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পশ্চিম রামখানা নামক স্থানে অবস্থান গ্রহণ করে। পরে সেখানে ১ জন লোক মাথায় বস্তা নিয়ে ঐ স্থানে আসার পর টহল দলকে দেখা মাত্রই মাথার বস্তা মাটিতে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। সেখান থেকে বিজিবি টহল দল ৪৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জব্দ করে। জব্দকৃত ফেন্সিডিলের মূল্য ১৮,০০০/- টাকা।

৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের, কুড়িগ্রাম এর পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন জানান, জব্দকৃত ফেন্সিডিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামে প্রকাশ্যে ব্যসায়ীর উপর রামদা নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা

কুড়িগ্রামের পুরাতন রেল ষ্টেশনের রিভারভিউ মোড়ের ব্যবসায়ী মোঃ সহিদ আলীর উপর প্রকাশে রামদা নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায় ওই এলাকার কিছু সন্ত্রাসী। পরে এলাকাবাসী মোঃ সহিদ আলীকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর ছেলে মোঃ পারভেজ ইবনে সুলতান বাদী হয়ে সদর থানায় ৭ জনের নাম উল্ল্যেখ করে মামলা দায়ের করলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের হুমকী-ধামকীতে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ব্যবসায়ী মোঃ সহিদ আলী।

এলাকাবাসী জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধায় মাদক ব্যবসায়ী তারা মিয়ার সাথে একই এলাকার মাদকাসক্তদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় পার্শ্ববর্তী ব্যবসায়ী মোঃ সহিদ আলী তাদেরকে থামিয়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা মিয়ার ভাই লিমন ও লিটনসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধা ৭ টার দিকে মোঃ সহিদ আলীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে গুরুত্বর অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মোঃ সহিদ আলী কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। কাধ ও হাতসহ তারে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ১১টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ীর ছেলে পারভেজ ইবনে সুলতান বাদী হয়ে সদর থানায় মোঃ লিমন (২৭), মোঃ লিটন (২৮), মোঃ তারা মিয়া (৪৬), মুরাদ (১৯), মোঃ বাবু মিয়া (৪২), মোঃ নাজমুল হক (২০) ও বিপাশ (১৯) এর নামে মামলা করে।

জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, আসামীদের ধরার জোড় চেষ্টা চলছে। আসামীরা পলাতক রয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন তাদের দ্রুত সময়ে গ্রেফতার করা হবে।