🕓 সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে কৃষিঋণ পেতে হয়রানি, ব্যাংকে দালাল চ‌ক্রের দৌরাত্ম্য চর‌মে!স্কটল্যান্ডের সংস‌দে প্রথম বাংলা‌দেশি এমপি নবীগঞ্জের ফয়ছল চৌধুরীসিলেটে চাহিদামতো ইফতারি না দেয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা!করোনাকালে কিন্ডারগার্টেন ও নন-এমপিও শিক্ষকদের করুণ দশা!ওয়ালটন স্মার্টফোনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ঈদ সালামি’চাচীর পরকীয়ার কথা জেনে যাওয়ায় ভাতিজাকে নৃসংশ ভাবে খুনকেরাণীগঞ্জে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৪চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের উপর মাদক কারবারিদের হামলা: এস আইসহ আহত-৫রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণপর্তুগালে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের অনুমতি

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, সকাল ১০:৩৪

নারী-পুরুষ একে অপরকে ছাড়াই জন্ম দিতে পারবে সন্তান !

❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্ক:
ছোট থেকে কিছু ধ্রুব সত্য জেনে আমরা বড় হই। যেমন সূর্য পূর্বদিকে ওঠে অথবা নারীরাই সন্তানের জন্ম দিতে পারেন। তবে আগামী দিনে এমন  ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে। অন্তত বিজ্ঞানীদের দাবি তেমনই।
a-shocked-babyকারণ তাঁদের দাবি, সন্তানের জন্ম দিতে নারীসঙ্গ আর প্রয়োজন হবে না পুরুষদের। বিজ্ঞানীরা এমন এক গবেষণা চালাচ্ছেন যেটি সফল হলে সৃষ্টির নিয়মকে কার্যত বদলে ফেলা সম্ভব হবে।
একদল ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পুরুষের বীর্য ও স্ত্রীর ডিম্বাশয়ের মিলন না ঘটিয়েই ছোট ইঁদুরের জন্ম দেওয়াতে সক্ষম হয়েছেন। যাকে এককথায় নজিরবিহীন বলা যেতেই পারে। বিজ্ঞানী দলের প্রধান টনি পেরি লন্ডনের বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক।
তিনি জানিয়েছেন, সন্তান জন্মের জন্য একটি ডিম্বাণু ও একটি শুক্রাণুর প্রয়োজন হয়। নারী শরীরের ডিম্বাণু পুরুষের শরীরের শুক্রানুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট তৈরি করে। তারপরই মহিলারা গর্ভধারণ করে। তবে নির্দিষ্ট উপায়ে ডিম্বাণুর পরিবর্তে ত্বকের বা অন্য জায়গার কোষ ব্যবহার করে সাফল্য আসতে পারে। এর সাহায্যেও এমব্রায়ো তৈরি হতে পারে। এর ফলে পুরুষরা নিজেরাই একা সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন। ক্যানসারের ওষুধ সেবনে অথবা রেডিও থেরাপির ফলে অনেক নারীর মা হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। তাদের ক্ষেত্রে সন্তানের জন্ম দেওয়া সহজ হবে। অর্থাৎ শুধু পুরুষরাই নন, মহিলারাও এককভাবে সন্তানের জন্ম দিতে সক্ষম হবে। এক্ষেত্রে পুরুষের ক্ষেত্রে যেমন শুক্রাণুর সঙ্গে কোষের মিলন ঘটানো হতো, মহিলাদের ক্ষেত্রে ডিম্বাণুর সঙ্গে কোষের মিলন ঘটানো হবে। এই গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এটা নিয়ে আরও গবেষণা চলছে। এই প্রক্রিয়া সফল হলে একাধিক বিপন্ন প্রজাতিকে সংরক্ষণ এবং তাদের প্রজনন করানোর রাস্তা খুলে যাবে বলেও বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন।