সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে শেখ হাসিনার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মারামারি

২:০৭ পূর্বাহ্ন | শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬ Breaking News, আন্তর্জাতিক

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মারামারি, হৈ চৈ ও চেয়ার ছোড়াছুড়ি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে মারামারিতে জড়ায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ।

juktorase

 

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে ‘ধর-ধর-সিদ্দিক ধর’, ‘হৈ হৈ রৈ রৈ-সিদ্দিক তুই গেলি কই’ ইত্যাদি স্লোগানের মধ্যে বেশ কয়েক মিনিট ধরে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

চেয়ার ছোড়াছুড়ির মধ্যে কয়েকজন নারীকে মিলনায়তনের মেঝেতে পড়ে যেতে দেখা যায়।

স্থানীয় সময় বুধবার রাতের এ ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেয়ে পুলিশ ডাকেন হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতের নিরাপত্তা রক্ষীরা।

জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণের পরই রাত সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠানস্থলে আসেন শেখ হাসিনা। চার ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর পর উপস্থাপক স্বাগত বক্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের নাম ঘোষণা করেন। মঞ্চের কাছাকাছি থাকা আজাদ যখন মাইক হাতে নিতে যান, সে সময় মঞ্চে শেখ হাসিনার পাশ থেকে উঠে এসে মাইক কেড়ে নেন সভাপতি সিদ্দিকুর। নিজেই মিনিটখানেকের স্বাগত বক্তব্য দিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্যের আহ্বান জানান।

এ ঘটনার পরই মিলনায়তনে শুরু হয় উত্তেজনা। তবে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ায় সে সময় তা সংঘর্ষে গড়ায়নি। টানা ৫০ মিনিট বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। তার বক্তব্যে মাঝামাঝিতে মিলনায়তনের পেছনের অংশে গোলযোগ দেখা দিলে নিরাপত্তা রক্ষী এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ঢাকা থেকে আসা এসএসএফ সদস্যদের মধ্যস্থতায় তা মিটে যায়।

তবে বক্তব্য শেষে শেখ হাসিনা মঞ্চ ত্যাগের পরই ভিন্নরূপ নেয় পুরো মিলনায়তন। ছাত্রলীগের একদল কর্মীর মধ্যে কথা কাটাকাটির পর শুরু হয় মারপিট। দ্রুতই তা ছড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে। মিলনায়তন ভরে যাওয়ায় অনুষ্ঠান চলাকালে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েক প্রবাসীও এ সময় ভেতরে ঢুকে আয়োজকদের উদ্দেশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন।

এক পর্যায়ে এই গণ্ডগোল মিলনায়তনের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হোটেলে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের অতিথিরাও সন্ত্রস্ত হয়ে এদিক-সেদিক ছোটেন।