🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ২৯ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১২ মে, ২০২১ ৷

কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড : বিস্ফোরক মামলা সিলেটে স্থানান্তর

❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশি প্রহরায় মামলার নথি ও যাবতীয় কাগজপত্র সিলেটে পাঠানো হয়।

হব্গিঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী জানান, আমলী আদালতের যাবতীয় কার্যক্রম শেষে অভিযোগ গঠন করে বিচারের জন্য এই মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবিরয়া হত্যাকাণ্ডে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলাটির বিচার কাজ সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি পত্র আসে বিস্ফোরক মামলাটিও সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলবে। তাই কঠোর নিরাপত্তায় মামলার সমস্ত ডকুমেন্টস সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

২৫ সেপ্টেম্বর মামলার নির্ধারিত তারিখে যদি জামিন ও কারাগারে থাকা সকল আসামিকে উপস্থিত করা হয় তাহলে সেদিনই অভিযোগ গঠন হবে। এদিকে বিস্ফোরক মামলায় হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন সিলেটের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক। ২৫ সেপ্টেম্বর এর শুনানি ও আদেশের তারিখ নির্ধারিত ছিল।

kibriya

পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী জানান, যেহেতু মামলার নথি পত্র সিলেটে চলে গেছে তাই এর শুনানি আর হবিগঞ্জে হবে না। সিলেটে এর শুনানি হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের মেয়র আলহাজ জিকে গউছ, হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ আসামি কারাগারে রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন ৮ জন।

এছাড়া বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীসহ ১০ জন পলাতক রয়েছেন। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক জেলা জজ আতাবুল্লাহ বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীসহ পলাতক ১০ আসামির মালামাল ক্রোকের আদেশ দেন। ইতোমধ্যে সকল আসামির ক্রোকাদেশ তামিল হওয়ার পর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ ৫ জন।

এ ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।