🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

ফারুক হত্যা: আত্মসমর্পণের পর এবার কারাগারে এমপি রানার দুই সহযোগী


❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ আলোচিত বাংলাদেশ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- মুক্তিযোদ্ধা ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আরও দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতে আত্মসমর্পণের পর বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

29883এরা হলেন- সাংসদ রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাসিরুদ্দিন নুরু ও সাবেক পৌর কমিশনার মাসুদুর রহমান। এর আগে একই মামলায় গত রোববার সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তিনি বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে আছেন।

টাঙ্গাইল আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মনিরুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাংসদ আমানুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাসিরুদ্দিন নুরু ও সাবেক পৌর কমিশনার মাসুদুর রহমান টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আদেবন করলে বিচারক আবুল মনসুর আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি শহরের কলেজপাড়া এলাকার নিজ বাসার কাছে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। পরে তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর প্রথমে থানা পুলিশ ও পরে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করেন। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে এ মামলার আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় যে, এমপি রানা ও তার তিন ভাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাদের নির্দেশেই অন্যান্য আসামি ফারুককে গুলি করে হত্যা করে বাসার কাছে ফেলে রাখে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী থেকে ফারুক আহমেদকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বলেছিলেন রানা। কারণ তার ছোট ভাই টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি) ছিলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় অভিযোগপত্র দায়ের করে। আদালত এপ্রিল মাসে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগপত্রে আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এমপি আমানুর রহমান খান রানার অপর তিন ভাই হলেন- টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাকন) ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা)।

এছাড়া হত্যা মামলার বাকি ১০ আসামির মধ্যে রয়েছেন- এমপি আমানুর রহমান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির হোসেন, আনিছুল ইসলাম (রাজা), মোহাম্মদ আলী, সমীর ও ফরিদ আহমেদ, দারোয়ান বাবু, যুবলীগের তৎকালীন নেতা আলমগীর হোসেন (চাঁন), নাসির উদ্দিন (নুরু), ছানোয়ার হোসেন ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মাছুদুর রহমান। এর মধ্যে আলী, সমীর, ফরিদ ও আনিছুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।