• আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

'তদন্তে আকাশের সম্পৃক্ততা মেলেনি গুলশান হামলায়'


❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- আইএস সন্দেহে মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার হওয়ার পর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো ফেনীর পিয়ার আহমেদ আকাশের গুলশান হামলায় কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

asajusjamanশনিবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা যথেষ্ট’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

গত শুক্রবার মালয়েশিয়ার একটি গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করে, আইএসের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ২ সেপ্টেম্বর এক বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর পরদিন তারা আবার খবর প্রকাশ করে, গুলশান হামলার সন্দেহভাজন এক আসামির সঙ্গে মালয়েশিয়ায় দেখা করেছিলেন ওই বাংলাদেশি।

তবে দুই প্রতিবেদনের একটিতেও ওই বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করা হয়নি। পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করে বলা হয়, তিনি ফেনীর পিয়ার আহমেদ আকাশ।

এ প্রসঙ্গে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, গুলশান হামলায় আকাশের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও তদন্তে জড়িত থাকার বিষয়ে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ফেনীর একটি থানার অস্ত্র মামলায় ওয়ারেন্ট জারি ছিল আকাশের বিরুদ্ধে। কিন্তু ওই সময় সে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিল। পরে ইন্টারপোল ও মালয়েশিয়া পুলিশের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় কমিশনার বলেন, জঙ্গিদমনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে সোয়াট টিম। যা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। হলি আর্টিজানে হামলার পরে যুক্তরাষ্ট বলেছে, আমরা শঙ্কিত ছিলাম বাংলাদেশ পুলিশ সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল কি না। কিন্তু পরে তারা পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। বাংলাদেশ পুলিশ শুধু অপারেশন করে না। তারা সমাজের সকল শ্রেণীর লোকের সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে।

তিনি আরো বলেন, পুলিশের প্রোঅ্যাকটিভ। পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ পুলিশকে বেশকিছু প্রশিক্ষণ দেবে। যার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আমরা সারা বিশ্বের প্রশংসা পেয়েছি। মক্কায় গ্র্যান্ড মুফতি তার বক্তব্যে জঙ্গি দমনের কথা বলেছেন।

এ সময় জঙ্গিবাদ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতার প্রশ্নে পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, ‘আমরা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে যে পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছি, তা যদি জঙ্গিরা বিস্ফোরণ ঘটাতে পারতো তাহলে এই মহানগরী ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হতো।’