🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

ঝুঁকিতে রয়েছে ফরিদপুরের সেই নবজাতক : সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের


❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: অসময়ে জন্ম নেওয়া কন্যা শিশু (গালিবা হায়াত)কে মৃত ঘোষণা করেছিলেন চিকিৎসকরা পরে ভাগ্যগুণে বেঁচে যাওয়া শিশুটির অবস্থা এখন শঙ্কামুক্ত নয়। যে কোন সময়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।

posasok

চিকিৎসকরা শিশুটিকে যতদ্রুত সম্ভব ঢাকার নিবির শিশু পরিচর্যা ইউনিটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে ঐ কন্যা শিশুটির নাম রাখা হয়েছে গালিবা হায়াত (অর্থ- মৃত্যুঞ্জয়ী)। আর এ ঘটনায় ৬ সদস্যর একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য।

এদিকে শিশুটিকে দেখতে আজ শনিবার সকাল ১১টায় ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে  সালমা তানজিয়া গিয়েছেন। তিনি এ সময় শিশুটিকে পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া তিনি ডাক্তার, রোগীর স্বজন ও হাসপাতালের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। পরে সাংবাদিকদের কাছে জেলা প্রশাসক শিশুটির চিকিৎসার ব্যাপারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ডঃ কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জনের গড়া তিন সদস্যের চিকিৎসক দলের প্রধান, ডাঃ খন্দকার মোঃ আবদুল্লাহ হিস সায়াদ সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, শিশুটির গত দুই দিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। আমার মনে হয় দুইদিন পার হয়ে গেছে এখন তাকে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকার নিবির শিশু পরিচর্যা ইউনিটে নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

শিশুর বাবা নাজমুল হুদা জানান, আমাদের পক্ষে সম্ভব না ঢাকা নিয়ে চিকিৎসার ব্যায় ভার বহণ করা। এ ক্ষেত্রে আমরা সরকারের কাছে সব ধরনের সহযোগিতার আশা করছি।

উল্লেখ্য, শিশুটি ফরিদপুর শহরের কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হুদা (২৬) ও নাজনীন আক্তার (২৩) দম্পতির প্রথম সন্তান। আগামী জানুয়ারি মাসে ভূমিষ্ঠ হওয়ার কথা থাকলেও শিশুটি ৫ মাস ২২ দিনের মাথায় বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ভূমিষ্ঠ হয়। জন্মের দেড় ঘন্টা পর শিশুটিকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা দেন। পরে সকাল ছয়টার দিকে শহরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করার সময় শিশুটি কেঁদে ওঠে।