সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে না মেরে তলোয়ার হাতে কাশ্মীরে যান, বললেন বিচারক

৮:২৯ অপরাহ্ন | শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ আন্তর্জাতিক, স্পট লাইট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক– ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের উরিতে একটি ব্রিগেড সেনা দফতরে হামলায় ১৭ জওয়ান নিহতের পর থেকে পাকিস্তান-ভারত নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ হামলার ঘটনার উপযুক্ত জবাব পাকিস্তান কে এখনো পর্যন্ত দিতে পারছেনা ভারত। তাই ক্ষোভের কোন অন্ত নেই ভারতের।

kashmir_india_cএমন সময় স্ত্রীকে মারধর নিয়ে মামলা নিষ্পত্তিতে ভারতের আদালতে গিয়েছিলেন বনরাজ সিং রানা। শুনানিতে বিচারকের ‘উপদেশ’ শুনে তো রীতিমতো ‘থ বনে’ গেলেন তিনি। ‘স্ত্রীর সঙ্গে নয়, কাশ্মীরে গিয়ে তলোয়ার হাতে শক্তি প্রদর্শন করুন’, ভারতের গুজরাট হাইকোর্টের বিচারক সোনিয়া গোকানি ঠিক এইভাবেই ধমক দিয়েছেন ওই স্বামীকে। শনিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিসি বাংলা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রানার স্ত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, নিয়মিত তাকে মারধর করেন পেশায় গাড়িচালক রানা। ছোটখাটো সাংসারিক ঝামেলাতেও তলোয়ার দিয়ে স্ত্রী সূরিয়াবেনের গলা কেটে ফেলার ভয় দেখাতেন তিনি। পরে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল রানাকে। কিন্তু বয়স্কদের সালিশি উদ্যোগের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিটমাট হয়ে যায়।

এরপর রানা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে পুলিশ যেসব মামলা দায়ের করেছে, সেগুলো তুলে নেয়া হোক। কারণ স্বামী -স্ত্রী নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নিয়েছেন। মামলা প্রত্যাহারের আবেদনটি শুক্রবার ওঠে মিসেস গোকানির এজলাসে।

শুনানির এক পর্যায়ে বিচারক মন্তব্য করেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে কীরকম উত্তেজনা রয়েছে জানেন নিশ্চই! আপনার মতো বলবান লোকেরই তো এখন সীমান্ত অঞ্চলে দরকার!’

বিচারক বলেন, ‘খোলা তলোয়ার হাতে নিজের শক্তিই যদি দেখাতে চান, তাহলে সীমান্ত অঞ্চলে গিয়েই দেখান সেটা। ওখানে গিয়ে দেশসেবা করুন, নিজের স্ত্রীকে রেহাই দিন।’ স্বামীকে ধমক দেয়ার পরে অবশ্য আদালত রানার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছে, মামলা তুলে নিলেই ওই দম্পতি শান্তিতে সংসার করতে পারবেন।

রানার উকিল হার্দিক মেহতা বলেন, ‘বিচারপতি শুনানির সময়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন। ওটা একটা পর্যবেক্ষণ ছিল, আদেশে এটা আর উল্লেখ করেননি বিচারক।’ তবে স্ত্রী সঙ্গে সত্যিই কীরকম ব্যবহার করছেন রানা, সেটার ওপরে আগামী দু’বছর নজরদারি চালাতে সমাজকল্যাণ দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।