কালকিনি থানার ওসি মাদারীপুর জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত

❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

এইচ এম মিলন, কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ

ভালো কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মাদারীপুর জেলার মধ্যে কালকিনি থানায় কর্মরত ওসি কৃপা সিন্দু বালা শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। অপরদিকে জেলার সকল এস এস আইর মধ্যে একেই থানার মোঃ জুয়েল এএসআই হিসেবে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন।

শনিবার সন্ধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সরোয়ার হোসেন তাদের দুইজনের হাতে শ্রেষ্ঠত্ব হওয়ার সনদ প্রদান করেন। তাদের দুজনের এ সাফল্যে কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন অভিনন্দন জানায়।

kal

এ ব্যাপারে থানার ওসি কৃপা সিন্দু বালা বলেন, আমি কালকিনি থানায় যোগদানের পর মাদক, সন্তাস নির্মুল ও সাধার মানুষকে মিথ্যা মামলায় থেকে হয়রানি পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। আমি মনে প্রানে চাই অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে এবং আমাদের পুলিশ বাহিনী দ্বারা কোন সাধারন মানুষ হয়রানি না হয় সে দিকে সজাক দৃষ্টি রাখার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রাখছি।

স্কুল ছাত্রীকে ছরিকাঘাতে হত্যা মামলা: ঘাতক মিলনের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন না মঞ্জুর

প্রেমের নামে প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় মাদারীপুরের ডাসার থানার আলিসাকান্দি গ্রামের স্কুল ছাত্রী নিতু (১৬) কে ছুরিকাঘাত করে হত্যা মামলায় থানা পুলিশ মিলন মন্ডলকে ৭ দিনের রিমান্ড দাখিলকৃত আবেদন শনিবার সন্ধায় বিশেষ কার্যদিবসে ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া হাফসার আদালতে শুনানী শেষে রিমান্ডের আবেদন না-মঞ্জুর করেছে। একই সাথে আসামীর জামিনের আবেদনও না-মঞ্জুর হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বায়েজিদ আসামীকে হাজির করে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট ফৌজিয়া হাফসার আদলতে আসামী ১৬৪ ধারামতে ঘটনার বর্ননা দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালত জবানবন্দী গ্রহন করে জেলহাজতে প্রেরন করে।

ডাসার থানার নবগ্রাম এলাকার আলিসা কান্দি গ্রামের নির্মল মন্ডলের মেয়ে নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর নিতু স্কুলে আসার সময় একই গ্রামের বিরেন্দ্র নাথ মন্ডলের বখাটে ছেলে মিলন মন্ডল (১৮) নিয়মিত প্রেম নিবেদন করে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু স্কুল ছাত্রী নিতু তা প্রত্যাখ্যান করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলে আসার সময় পথেমধ্যে ছুরিকাঘাত করে রবিবার সকালে হত্যা করে। এ সময় গ্রামবাসী বখাটে মিলন মন্ডলকে আটক করে পুলিশে দেয়।