🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সাফল্য ও সম্ভাবনা


❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

জামাল জাহেদ, কক্সবাজার থেকে: কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান বেশ কিছু যুগান্তকারি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ২০১৬ইং সালে এক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি হয়েছে এবং হচ্ছে। এটা সবাইকে স্বীকার করতেই হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় অত্র জেলায় যোগদান করেছেন প্রায় এক বছর হলো। তিনি এ জেলায় যোগদান করেই, প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনকে গতিশীল করতে এবং পুরো জেলার প্রাথমিক শিক্ষায় মানসম্মত পড়াশোনা নিশ্চিত করণের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছেন।

pathomik

তিনি ইতোমধ্যে জেলার ৮টি উপজেলা ৪/৫ বার করে সফর করেছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত শিক্ষক মন্ডলী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে তিনি মতবিনিময় করেছেন। বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিনি সার্বিক সহযোগিতা পাচ্ছেন। তাঁকে সর্বাত্নক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত দুইজন সুদক্ষ সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, যথাক্রমে জনাব মোহাম্মদ শহীদুল আজম এবং জনাব মোহাম্মদ ইকরাম উল্লাহ চৌধুরী। আর, তাঁদের সাথে একাত্ন হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ০৮ জন উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়, পড়াশোনা মনস্ক একজন ব্যক্তিত্ব। তিনি সুদক্ষ, অভিজ্ঞ এবং জ্ঞানী।

তিনি, শ্রেণি কক্ষে সরাসরি শিক্ষার্থীদের সাথে শিখন-শেখানো কার্যক্রম নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন এবং খুঁটিনাটি বিষয় তথা শিখন যোগ্যতা ও শিখন ফল পুরোপুরি অর্জনে তাদেরকে অনুসন্ধিৎসূ করে তোলেন। একই সাথে তিনি শিক্ষকদেরকে পাঠদান বিষয়ক কলা-কৌশল শিখিয়ে দেন। প্রধান শিক্ষকগণের মাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকগণকে বিদ্যালয় পরিচালনা এবং পাঠদান কার্যমক্রম ফলপ্রসূভাবে সম্পাদনসহ প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের পাঠ্য বিষয়গুলোতে সংকলিত ও বিবৃত পাঠ্য বিষয়বস্তুর মৌলিক সব জ্ঞান শিক্ষার্থীদেরকে অর্জন করানোর প্রতি শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। শিক্ষকদেরকে তিনি অত্যন্ত সম্মাানের চোখে দেখেন এবং বন্ধু সুলভ আচরণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সকল বিষয় (তাঁদেরকে) শিখিয়ে দিতে অন্তপ্রাণ সচেষ্ট থাকেন এবং চেষ্টা করেন।

বর্তমান সরকার কতৃক দেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নের জন্য গৃহীত বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিসমূহের সফল বাস্তবায়নে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব এ বি এম ছিদ্দিকুর রহমান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বাত্নক আন্তরিক ও সক্রিয় করে তোলার জন্য নিবীড ও বলিষ্ঠ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তাঁর ‍গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ সংক্ষেপে নিন্মে উল্লেখ করা হলো।

১। জেলার সকল শিক্ষার্থীর হাতে বছরের প্রথম দিন, ১ জানুয়ারি নতুন পাঠ্য বই তুলে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২। ১০০ ভাগ বিদ্যালয় গমনোপযোগি প্রত্যেক শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন ও তা নিবীডভাবে মনিটরিং করছেন।

৩। ২০১৬ সালের শুরুতেই তিনি নিজে অক্লান্ত পরিশ্রম করে একটি বার্ষিক পাঠদান পরিকল্পনা তৈরি করে দিয়েছেন। প্রত্যেক বিদ্যালয়ে এটি ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছে এবং সে অনুযায়ি কাজ চলছে।

৪। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় নিজে সুপরিকল্পিত ও সকল বিদ্যালয়ে অনুসরণীয় একটি শ্রেণি রুটিন তৈরি করে দিয়েছেন। প্রত্যেক বিদ্যালয়ে এরমধ্যে সেটি তৈরি ও অনুমোদ নেয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়িত হচ্ছে।

৫। শ্রেণি রুটিনটিতে শ্রেণিকেন্দ্রিক শিখন-শেখানো এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক কার্যক্রমের উপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। আর সাপ্তাহিক পরীক্ষা গ্রহন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিরাময়মূলক পদক্ষেপ গ্রহন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক শিখন অগ্রগতি নিশ্চিত করণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

৬। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থীদের জন্য বছরের প্রারম্ভেই নিবীড পাঠদান এবং অধ্যায় ভিত্তিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক মূলায়ন এবং আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা গ্রহনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

৭। শিক্ষকগণকে পেশাজীবীসুলভ মনোভাবাপন্ন করতে ও পড়াশোনা মনস্ক হয়ে ওঠতে বিবিধ কৌশল প্রয়োগের প্রয়াস নিয়েছেন।

৮। জেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবীড়ভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। পরিদর্শনে প্রাপ্ত ভাল ও দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিতভাবে ফলো-আপ করার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। আর তিনি নিজে এসব বিষয় সরাসরি মনিটরিং করছেন।

৯। প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিখন-শেখানো কার্যক্রমের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপের ব্যবস্থা করেছেন।

১০। উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং বিদ্যালয়গুলোতে সময়সূচি মেনে চলার জন্য সবাইকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তা মনিটিরিং করছেন।

১১। প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য এবং রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ এবং হালফিল রাখার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

১২। জেলার প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরে সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য যথাযথভাবে পালন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।

১৩। সরকারি সকল নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং চাকুরি-বিধান কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১৪। ২০১৬ সালে কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান যাতে সারাদেশে একটি সম্মাানজনক অবস্থানে উন্নীত হয় সেজন্য বছরের শুরুতেই বর্তমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় একটি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন।

১৫। প্রত্যেক উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ বাক্স খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

১৬। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক দুদক আয়োজিত গণশুনানীতে অংশ গ্রহণ করতে এবং সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

১৭। সর্বোপরি, কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য তিনি প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।

সাম্প্রতিক কার্যক্রম/সাফল্য:

আগস্ট/২০১৬: বিগত আগস্ট/২০১৬ মাসে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা গ্রহন করা হয়েছে। এ পরীক্ষা চলাকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় এমন এক পদ্ধতি প্রচলন করেন যে, পুরো কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছিল। তিনি ০৪ টি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমন্বয়ে এক একটি গ্রুপ করে দেন। প্রত্যেক বিদ্যালয় হতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ের শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয় পরিদর্শণ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব প্রদান করেন। এতে জেলার প্রতিটি বিদ্যালয় আগস্ট/১৬ মাসে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ কতৃক ৬ বার করে পরিদর্শণ করা হয়েছে। আর প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্য বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষক কতৃক মূল্যায়ন করা হয়েছে বিধায়, মূল্যায়ন নিরপেক্ষ এবং বস্তুনিষ্ঠ হয়েছে।

তাই, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং নিখুঁত হয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর যেসব শিক্ষার্থী ভাল ফল করতে পারেনি তাদের সবার নিকট হতে একই প্রশ্নে প্রত্যেক বিষয়ে দ্বিতীয় বার, তৃতীয় বার পরীক্ষা নিয়ে নিরাময়মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রত্যেক বিষয়ে পাশ করার এবং মানোন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। এটা এক বিরাট সাফল্য, যার দ্বারা কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় পারদর্শিতা অর্জন এবং কাংখিত যোগ্যতাসমূহ অর্জিত হয়েছে। কর্মরত শিক্ষক মন্ডলীরও মানোন্নয়ন ঘটেছে এতে এবং তাঁদের নিজ নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সক্রিয়তা ও আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ ঘটেছে।

এ যেন ফলাফল ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা (আর.বি.এম পদ্ধতি) কৌশলের যথাযথ প্রয়োগ। সারাদেশের কোন জেলায়ই এমন কার্যকর পদ্ধতি অনুসৃত হয়েছে কিনা সন্দেহ। যাহোক, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নমূলক এ ধরনের সফল পদ্ধতির উদ্ভাবক হলেন, আমাদের কক্সবাজার জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব এ বি এম ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়। আর এ জেলার সকল কর্মকর্তা ও শিক্ষকমন্ডলী তাঁর সফল অনুসারি ও সহযাত্রী।

সেপ্টেম্বর/২০১৬: বিগত ১৯/০৯/২০১৬ তারিখ হতে তৃতীয়, চতৃর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর নিকট হতে মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহন করা হয়। এ মাসের মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র শিক্ষার্থীদের নিকট পৌঁছানো হয় পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পূর্বে ০৮/০৯/২০১৬ খ্রি: তারিখে। এ পরীক্ষায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় অন্য একটি কৌশল প্রয়োগ করেন। প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বাংলা, ইংরেজি এবং গণিত বিষয়ে অন্য ০৩ টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষা পরিচালনা কার্যক্রম পরিদর্শন করার দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রত্যেক প্রধান শিক্ষক স্বতস্ফূর্তভাবে এ পরিদর্শণ কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রতিবেদন দাখিল করেন। তাঁরা পরিদর্শন করেন পরীক্ষা কার্যক্রম এবং এক শিক্ষার্থী কতৃক অন্য শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। আর তাঁদের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট বিষয় ও বিদ্যালয়ের ব্যাপারে কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ এবং মন্তব্য প্রদান করেন। এতে কক্সবাজার জেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেপ্টেম্বর মাসে/২০১৬ ০৩ (তিন) বার করে পরিদর্শন করা হয়েছে।

ফলে, বিদ্যালয়গুলো অন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছিল। এর ফলাফল হচ্ছে নিদারুণ। মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহনের সুযোগে শিক্ষার্থীরা হয়ে ওঠছে, প্রশ্নপত্র তৈরি, উত্রপত্র মূল্যায়ন, পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়া এবং উত্তর লিখনে সুদক্ষ। সফলভাবে অনুসৃত হচ্ছে, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন-শেখানো কৌশল, দলীয়ভাবে কাজ করার কৌশল এবং মূল্যায়ন কৌশল। দুর্বল শিক্ষার্থীদের নিরাময় ও উন্নতি হচ্ছে দারুণভাবে। সে সাথে শিক্ষকগণও এসব বিষয়ে সুদক্ষ হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন। আর প্রধান শিক্ষকগণ অন্য বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে নিজেদেরকে বিকশিতকরণ এবং নিজ নিজ বিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করে তোলার জন্য ওঠার ক্ষেত্রে আরও সুদক্ষ হয়ে ওঠেছেন।

মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু: জননেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কতৃক প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের ছাত্র/ছাত্রীদের ঝরে পড়া রোধ এবং বিদ্যালয় চলাকলিন সময়ে যাতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুধার্ত হয়ে পালিয়ে না যায় সেজন্য দুপুরের খাবার চালু করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। কক্সবাজার জেলায় মহেশখালী উপজেলায় বিস্কুট বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে ২০১১ সাল হতে। অতি সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলা, উখিয়া উপজেলা, পেকুয়া উপজেলা, রামু উপজেলা এবং চকরিয়া উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান মহোদয় একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগে মিড-ডে মিল চালু করেছেন।

এ ব্যাপারে, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আলী হোসেন মহোদয় প্রত্যেক উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন এবং তিনি নিজে উপস্থিত থেকে ঝাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মিড-ডে মিল কর্মসূচি উদ্বোধন করছেন। পুরো জেলাতে এ কর্মসূচি বেশ সাড়া জাগিয়েছে।

উপসংহার: প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ বেশ সাফল্য দেখাচ্ছে। এটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। কক্সবাজার জেলা এক্ষেত্রে এখনও কিছুটা পিছিয়ে আছে এটা সবার জানা আছে। দেশের অন্যান্য জেলার ন্যায় কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানও সমানতালে এগিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশিত। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় কতৃক গৃহীত উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আগামীতে পরিস্থিতির আরো উন্নয়ন ঘটবে, পুরো জেলা প্রাথমিক শিক্ষায় বেশ সাফল্য দেখাবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।