🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

ফারুক হত্যাকান্ড: সাংসদ রানার জামিন নামঞ্জুর


❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ Breaking News, আলোচিত বাংলাদেশ

অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী, টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ আদেশ দেন।

rana_26032_1474880584এর আগে গতকাল রোববার সাংসদ রানার আইনজীবীরা তাঁর জামিনের আবেদন করেন। এসময় আবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়েছে। সংসদ থেকে তাঁকে অধিবেশনে যোগদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি যাতে সংসদ অধিবেশনে অংশ নিতে পারেন সে জন্য জামিনের প্রয়োজন।

পরে আজ সোমবার এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক সাংসদ রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

উল্লেখ, ২২ মাস পলাতক থাকার পর ১৮ সেপ্টেম্বর এই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের সাংসদ রানা। আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর -১ কারাগারে আছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইলে তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে পাওয়া যায়। ঘটনার তিন দিন পর নিহত ফারুক অাহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানার পুলিশ ও পরে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মামলার তদন্ত শুরু করে।

২০১৪ সালের আগস্টে এই মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হন। আদালতে তাঁদের স্বীকারোক্তিতে সাংসদ রানাসহ তাঁর তিন ভাইয়ের এ হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এরপর থেকে সাংসদ রানা সহ তাঁর ভাইয়েরা আত্মগোপন করেন ।

এ বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি সাংসদ রানা , তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল আদালত মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৭ মে এই ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত।

২০ মে পুলিশ সাংসদ রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে, তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। সাংসদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকেও জানানো হয়।