🕓 সংবাদ শিরোনাম

শেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যুশেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্বের বিস্ময় এখন বাংলাদেশ: কাদের

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

গাজীপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

রেজাউল সরকার (আঁধার), গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরে মারপিট এবং শ্বাসরোধে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ দণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত মোঃ ফারুক হোসেন (৫১) টঙ্গীর হাজীর বস্তির জীবন ড্রাইভারের ছেলে।

karadondo

গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক মোঃ রবিউল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, টঙ্গীর ভরান তমিজশাহের মাজার এলাকার আবু ইউসুফ দেওয়ানের মেয়ে রত্নার (৩০) বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুইটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। স্বামীর ফারুক প্রায়ই নেশা করতো। ২০১০ইং সালের ২ আগস্ট ভোর রাতে ফারুক মারপিট এবং শ্বাসরোধে রত্নাকে হত্যা করে। সকালে খবর পেয়ে নিহতের বাবা আবু ইউসুফ মেয়ের মরদেহ দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

প্রথমে এ ব্যাপারে টঙ্গী থানায় অপমৃত্যু মামলা এবং পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর স্বামী ফারুককে আসামি করে নিহতের বাবা আবু ইউসুফ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টঙ্গী থানার এস আই আবুল বাসার তদন্ত শেষে ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। শুনানি শেষে আজ সোমবার দুপুরে আদালত আসামির বিরুদ্ধে এই রায় প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন গাজীপুর আদালতের পিপি অ্যাড. মোঃ হারিছ উদ্দিন আহমদ এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাড. ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ।