🕓 সংবাদ শিরোনাম

সাংবাদিক রোজিনাকে হয়রানি ও হেনস্থার প্রতিবাদে রাঙামাটি প্রেসক্লাবের মানববন্ধনসাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নির্যাতনের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধনঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা,আটক-২মাত্র ২০ ঘন্টায় ১০ লক্ষ দর্শক পেল“ তাকে ভালোবাসা বলে” নাটকটিবিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে তুলে নিয়ে রাতভর ধর্ষণভারতে করোনায় একদিনে মারা গেলেন ৫০ চিকিৎসকদেশে বিশেষ অভিযান চালাবে ইন্টারপোলসাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নেওয়া হলো আদালতেতুমুল সমালোচনার মুখে ‘জেরুজালেম প্রেয়ার টিম’পেজ সরিয়ে নিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

শ্রীপুরে গরু চুরির অভিযোগে আটক দুইজনকে তিন ঘন্টা পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ


❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

রেজাউল সরকার (আঁধার) গাজীপুর প্রতিনিধি: জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের একটি খামার থেকে গরু চুরির অভিযোগে ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশসহ ৪ জনকে ৬টি গরুসহ আটকের তিন ঘন্টা পর হাজত থেকে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ছেড়ে দিয়েছে শ্রীপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ছালাম।

unnamedসোমবার সকাল ১১টার দিকে আটকের পর দুপুর ২টার দিকে অর্থের বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আটকৃতরা হলেন, তেলিহাটি ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য টেংরা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৪৫), ইউপি গ্রাম পুলিশের সদস্য একই গ্রামের মৃত মহর আলীর ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন (৫০) ও খামারের কেয়ারটেকার খুলনা জেলার বটিয়া ঘাটা থানার কুটিয়া গ্রামের লোকমান শেখের ছেলে আজিবর শেখ ও বাঘেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার জাডিয়া মাইটকুমড়া গ্রামের হাকিম শেখের ছেলে আলামিন শেখ (২০)। এদের মধ্যে তেলিহাটি সদস্য সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও ইউপির গ্রাম পুলিশের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিনকে (৫০) আটকের তিন ঘন্টা পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি গরু চুরি করে স্থানীয় হাবলু শেখের খামার নিয়ে রাখতেন। এর পর এক এক করে বাজারে বা স্থানীয় কশাইদের কাছে তা বিক্রি করতেন। এবার ঈদুল আহজাতেও কোরবানির পশুও চুরি করে এখামারে রাখা হয়েছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া গরুর মধ্যে সোহাদিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ১টি, দরগারচালা গ্রামের ইসমাইলের ২টি, হযরত আলীর ২টি ও ভিটিপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ১টিসহ ৬টি গরু বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাদল সরকারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাদের সবাইকেই ঘটনা স্থল থেকে আটক করে শ্রীপুর থানার এসআই আব্দুল ছালাম। আটকের পর তাদেরকে হাজতে প্রেরণ করেন। এর পর থেকেই থানায় প্রচুর সংখ্যক ইউপি সদস্যের সমর্থক এসে নানা স্লোগান দেওয়া শুরু করে এবং বিভিন্ন আওয়ামীলীগ নেতাদের সুপারিশ আসে। এক পর্যায় বাধ্য হয়ে তাদের দু’জনকে ছেড়ে দেয় শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ।

ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তার একটি প্রতিদ্বন্দ্বী চক্র তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল।

শ্রীপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল ছালাম জানান, ৪ জনের মধ্যে তাদের দু’জনকে সন্দেহ জনক আটক করা হয়। যাচাই বাচাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‘এর আগে আটকের পর তিনিই বলেছিলেন গোপন সংবাদের বিত্তীতে হাবলু শেখের খামার থেকে ৯টি গরুসহ তাদের আটক করা হয়’।

শ্রীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ বলেছিলেন, আটকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, চোর পালিয়ে যেতে সহায়তা করায় ইউপি সদস্য ও চৌকিদারের প্রতি গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম ও চৌকিদারকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।